নিউজপোল ব্যুরো: আদিবাসীদের হকের চাকরিতে ভাগ বসাতে তৃণমূল জমানায় কোন মেগা জালিয়াতির খেলা চলছিল ? মুকুটমণিপুরের হুল উৎসবের পবিত্র মঞ্চ থেকেই আজ সেই হাড়হিম করা কেলেঙ্কারির পর্দাফাঁস করে সরাসরি বোমা ফাটালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী! তাঁর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আগের তৃণমূল সরকারের আমলে হাজার হাজার ভুয়ো ST সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এখন শুরু হয়েছে বড়সড় তদন্ত।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের সংশ্লিষ্ট দফতর ইতিমধ্যেই জাল ST সার্টিফিকেটের প্রতিটি অভিযোগ খতিয়ে দেখছে। কোথাও অনিয়ম বা বেআইনি কাজের প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু যিনি ভুয়ো শংসাপত্র ব্যবহার করেছেন, তিনি নন— যিনি সেই সার্টিফিকেট তৈরি বা দিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট বার্তা দেন তিনি। তিনি আরও বলেন, তদন্তে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী শাস্তি হবে। প্রয়োজন হলে জেলও হতে পারে।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ভুয়ো শংসাপত্রের কারণে প্রকৃত আদিবাসী সম্প্রদায়ের বহু মানুষ সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তাই প্রকৃত উপভোক্তাদের অধিকার ফিরিয়ে দিতেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
তৃণমূলের কোন কোন বড় নেতারা এই জাল শংসাপত্রের কালো কারবারের আড়ালে যুক্ত ছিল, তা জানতে নথিপত্র স্ক্যান করা শুরু হয়েছে । তদন্ত যত এগোবে, ততই কি সামনে আসবে আরও বড় নাম? সেই উত্তরই এখন খুঁজছে গোটা রাজ্য।
