অন্যায়ের বিরুদ্ধে আজ বুধবার সকালেই দিল্লির বুকে CJP-র ১ কোটির হুঙ্কার! মন্ত্রীর গদি বাঁচাতে আর কত নিষ্পাপ পড়ুয়ার স্বপ্ন বলি দেবে প্রশাসন?

breakingnews অপরাধ আইন দেশ শিক্ষা
নিউজপোল ব্যুরো: দেশের সর্বভারতীয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বা নিট-নেট (NEET-NET) কেলেঙ্কারির মারাত্মক অনিয়ম ও জালিয়াতির বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা যুবসমাজের মহাবিপ্লব আজ বুধবার, ২২ জুলাই  সকাল হতেই এক ভয়ঙ্কর ও নজিরবিহীন রূপ ধারণ করল! দিল্লির যন্তর মন্তরের রাজপথে গতকাল রাতের রক্তক্ষয়ী লাঠিচার্জের চাবুক উপেক্ষা করে রাতারাতি জড়ো হয়েছেন আরও হাজার হাজার নতুন আন্দোলনকারী সমর্থক। দেখতে দেখতে ছাত্র-যুবদের এই ঐতিহাসিক ক্ষোভের আগুন আজ দ্বিতীয় মাসে পদার্পণ করল। আর এই মেগা আন্দোলনের আবহেই আজ সকাল সকাল সরাসরি দেশের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করে নরেন্দ্র মোদী সরকারকে এক মহা-বিস্ফোরক ও হাড়হিম করা হুঁশিয়ারি দিল আন্দোলনকারী ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)!
যন্তর মন্তরের ধর্নামঞ্চকে আন্দোলনকারীদের জন্য এক অভেদ্য দুর্গে পরিণত করতে সকাল থেকেই শামিল হয়েছেন শত শত স্বেচ্ছাসেবী। সারা দেশ থেকে আন্দোলনের প্রতি সহানুভূতিশীল আমজনতার পাঠানো খাবার, জল এবং অন্যান্য জরুরি সামগ্রী ও ত্রাণ বুথ তৈরি করে বিক্ষোভকারীদের হাতে তুলে দিচ্ছেন তাঁরা। আর এই রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির মাঝেই আজ বুধবার সকালে নিজেদের অফিশিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে মোদী সরকারের ভিত কাঁপিয়ে দেওয়া এক চরম ট্রিগার পোস্ট করেছে সিজেপি (CJP)। ওই পোস্টে সরাসরি প্রশ্ন ছুঁড়ে লেখা হয়েছে, “আজ সকালে যন্তর মন্তরের পুণ্যভূমিতে হাজার হাজার নতুন বিক্ষোভকারী উপস্থিত হয়েছেন। দুর্নীতিগ্রস্ত কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ঠিক কখন নিজের পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন? ভারতের কোটি কোটি যুবসমাজের চেয়ে এই ব্যর্থ ‘মন্ত্রী প্রধান’-কে দেশের প্রধানমন্ত্রী কেন এত বেশি ভালোবাসেন?”  নিট (NEET) কেলেঙ্কারি নিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর রাজপথের প্রতিবাদকে এবার সরাসরি পাল্টা আক্রমণ ছুড়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের দাবি, সংসদের বাদল অধিবেশনে স্বাস্থ্যকর আলোচনা ও বিতর্কের পথ এড়িয়ে আন্দোলনকে রাজনৈতিক হাওয়া দিচ্ছে কংগ্রেস। তিনি স্পষ্ট অভিযোগ করেন, রাহুল গান্ধী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের রাজনৈতিক ‘হাতিয়ার’ বানিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি করছেন। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধর্না দিয়ে সাধারণ মানুষের পথ আটকানো এবং স্পর্শকাতর নিরাপত্তা বলয় লঙ্ঘনের পেছনে বিরোধী শিবিরের উসকানি রয়েছে বলেই কেন্দ্র মনে করছে।