Sreelekha Mitra:প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে পোস্টার বিতর্ক, শ্রীলেখা মিত্রের বিরুদ্ধে একাধিক থানায় অভিযোগ!

রাজনীতি

নিউজ পোল ব্যুরো:টলিপাড়ার অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রকে (Sreelekha Mitra) ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে আন্দোলনের মঞ্চে প্রদর্শিত একটি পোস্টারকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে আনন্দপুর থানাসহ রাজ্যের একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি। আনন্দপুর থানায় বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

আরও পড়ুন:Nirmala Sitharaman:আন্দোলন দমনের চেষ্টা হয়নি, পুনর্মূল্যায়ন শেষ করেই পদত্যাগ ধর্মেন্দ্রর: নিট ইস্যুতে নির্মলা সীতারামন!

ঘটনার সূত্রপাত ২৪ জুলাই ধর্মতলায় নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে আয়োজিত ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে। ওই কর্মসূচিতে অশান্তি, ভাঙচুর এবং সাংবাদিক নিগ্রহের অভিযোগ ওঠে। প্রশাসন ঘটনার তদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে পদক্ষেপ নেয়। সেই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন শ্রীলেখা মিত্রও।

বিজেপির অভিযোগ, আন্দোলনের সময় শ্রীলেখা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্য করে কুরুচিকর ভাষাসংবলিত একটি পোস্টার প্রদর্শন করেন এবং তার ছবি সামাজিক মাধ্যমেও শেয়ার করেন। দলের দাবি, এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং জনসমক্ষে বিদ্বেষমূলক বার্তা ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে কেয়া ঘোষ আনন্দপুর থানায় এফআইআর দায়ের করেন। পাশাপাশি বিধাননগর সাইবার থানাসহ রাজ্যের বিভিন্ন থানায় বিজেপির পক্ষ থেকে পৃথক অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

অভিযোগপত্রে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস), ২০২৩-এর একাধিক ধারার উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, অভিনেত্রীর কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক প্রতিবাদের সীমা অতিক্রম করেছে এবং দেশের প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। কেয়া ঘোষ আরও অভিযোগ করেছেন, আন্দোলনের আড়ালে উস্কানিমূলক রাজনীতি করা হয়েছে। তবে এই অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে এখনও কোনও সরকারি বা বিচারিক যাচাই হয়নি।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@thenewspole

অন্যদিকে, শ্রীলেখা মিত্র (Sreelekha Mitra) জানিয়েছেন, এ ধরনের অভিযোগ বা এফআইআরে তিনি আতঙ্কিত নন। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হয়নি।

বর্তমানে গোটা বিষয়টি তদন্তাধীন। অভিযোগের সত্যতা, প্রযোজ্য আইনি ধারা এবং পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে তদন্তকারী সংস্থা ও আদালত।