একের পর এক ভাঙনের লক্ষণ! তৃণমূলে কি শুরু হয়েছে বড়সড় রাজনৈতিক সঙ্কট?

breakingnews রাজনীতি

নিউজপোল ব্যুরো: রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে কি সত্যিই ভাঙনের সুর? একের পর এক সাংসদের নাম ঘিরে জল্পনা, পদত্যাগ ও দল বদলের গুঞ্জনে সরগরম বাংলার রাজনীতি। সকাল থেকে সন্ধ্যা— নতুন নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের খবরে বাড়ছে জল্পনা। দলের প্রথম সারির নেতাদের ঘিরে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি তৃণমূলের জন্য বড় অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছে । এমন পরিস্থিতিতে সায়নী ঘোষ, মালা রায় ঘিরে শুরু হওয়া আলোচনা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে তৃণমূল কংগ্রেস। একের পর এক সাংসদকে ঘিরে তৈরি হওয়া জল্পনা দলের অন্দরে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বুধবার যাদবপুরের সাংসদ ও যুব তৃণমূলের সভানেত্রী সায়নী ঘোষকে ঘিরে জল্পনা আরও তীব্র হয়। রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, বিদ্রোহী সাংসদদের একটি শিবিরে তাঁর নাম উঠে এসেছে। যদিও এ বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সায়নী ঘোষ দীর্ঘদিন ধরেই দলের অন্যতম পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি যুব তৃণমূলের দায়িত্বও ফের তাঁর হাতেই তুলে দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে, কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন ও দক্ষিণ কলকাতার সাংসদ মালা রায়কেও ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, যদি তিনি দলীয় অবস্থান থেকে সরে আসেন, তবে তার প্রভাব কলকাতা পুরসভার রাজনীতিতেও পড়তে পারে। যদিও মালা রায়ের তরফেও এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।

সায়নী ঘোষ ও মালা রায়কে ঘিরে চলা জল্পনা তৃণমূলের অন্দরে অস্বস্তি বাড়িয়েছে বলেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত। দীর্ঘদিন দলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত এই দুই নেত্রীকে নিয়ে শিবির বদলের গুঞ্জন যদি আরও জোরালো হয়, তাহলে সংগঠনগত স্তরে তার প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে কলকাতা ও যুব সংগঠনের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবু বিরোধীরা ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে— এ কি শুধুই গুজব, নাকি বড় কোনও রাজনৈতিক পরিবর্তনের পূর্বাভাস? রাজনীতির অন্দরে এখন একটাই প্রশ্ন— এ কি বিচ্ছিন্ন ঘটনা, নাকি তৃণমূলের দরজায় কড়া নাড়ছে আরও বড় ধাক্কা? তবে একের পর এক নাম সামনে আসায় রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যে নতুন মোড় নিতে পারে, তা নিয়ে চর্চা এখন তুঙ্গে। এখন নজর যে তৃনমূলের এই ভাঙনের জল কত অব্দি গড়ায়।