নিউজ পোল ব্যুরো:উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক মনোযোগ নিয়ে ফের একবার তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর তোপ দাগলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya statement)। তিনি বলেন, “উত্তরবঙ্গ কতটা পিছিয়ে আছে এবং গত ১৪ বছরে এই অঞ্চলে যে উন্নয়ন হয়নি, তা একেবারেই স্পষ্ট। বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক, উত্তরবঙ্গ এক ভয়ঙ্কর বিপদের মুখে রয়েছে। কিন্তু মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী দুর্গা পুজোকে একটি কার্নিভালে পরিণত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই সময়টা কার্নিভালের নয়।”
আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/10/05/amit-shah-chhattisgarh-anti-maoist-operation/
ভট্টাচার্য আরও বলেন, “দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের যে সম্পর্ক, সেই ‘নাড়ির টান’ বোঝানোর জন্য আজকেই মুখ্যমন্ত্রীকে উত্তরবঙ্গে আসা উচিত ছিল। কিন্তু প্রশাসনিক উদাসীনতার কারণে উত্তরবঙ্গের মানুষ আজও মৌলিক উন্নয়নের সুবিধা থেকে বঞ্চিত।”
নিজের এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি ফের একবার শাসকদলকে দোষারোপ করেছেন। তার বক্তব্যে স্পষ্ট, রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিজেপি মনে করছে, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রশাসনিক মনোযোগ সবসময় দক্ষিণবঙ্গকে কেন্দ্রে রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যা উত্তরবঙ্গের সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব ফেলছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya statement) সতর্ক করেছেন যে, উত্তরবঙ্গের অবহেলা চলতে থাকলে সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া তীব্র হয়ে উঠবে। তিনি প্রশাসনের কাছে দাবি জানান, তৎকালীন সময়ে সমন্বিত উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে এবং উৎসব ও রাজনৈতিক কার্যক্রমের মধ্যে সীমারেখা বজায় রাখতে হবে, যাতে উত্তরবঙ্গের জনগণ সরাসরি প্রভাবিত না হন।
এছাড়াও তিনি উল্লেখ করেছেন যে, শুধুমাত্র কার্নিভালের আয়োজন বা শহরের মুখ্য আকর্ষণকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক মনোযোগ না দেওয়াই নয়, বরং বরাবরের মতো মূল অবকাঠামো, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। উত্তরবঙ্গের মানুষের জীবনযাত্রা উন্নয়নে প্রশাসনের দায়িত্ব অবহেলা করা মানে রাজনৈতিক ও সামাজিক দায় এড়ানো নয়।
রাজ্য রাজনীতিতে উত্তরবঙ্গ বনাম দক্ষিণবঙ্গের এই প্রসঙ্গ নতুন নয়, তবে এবার শমীক ভট্টাচার্য এই ইস্যুকে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি এবং পুজোর সময়কে কেন্দ্র করে সামনে এনেছেন। রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে এই বিতর্ক আগামীদিনে নতুন আঙ্গিক নিতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
