নিউজপোল ব্যুরো: গত ২৭ জুলাই রাতে নবান্নে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে চলল এক গোপন বৈঠক। একদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, আর অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু দেখাই নয়, সেই রাতেই আর এক হেভিওয়েট সাংসদ শতাব্দী রায়ের সঙ্গেও ফোনে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। দিল্লি না গিয়ে কলকাতার বুকেই এই দীর্ঘ আলোচনা রাজ্যের রাজনৈতিক জলঘোলা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, এখানেই শেষ নয়, আজ দিল্লিতে শুরু হতে যাওয়া এনডিএ-র হাইভোল্টেজ বৈঠকেও ডাক পেয়েছেন সুদীপ-শতাব্দীরা। সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া সেই বৈঠকে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখবেন। সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারও স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে তাঁরা এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বিষয়টি কিছুটা এড়িয়ে গিয়ে বলেন, অন্য একটি দল কী করবে বা কার সঙ্গে মিটিং করবে, তা সম্পূর্ণ তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এই নিয়ে তাঁদের মাথা ঘামানোর একদমই প্রয়োজন নেই। কিন্তু উল্টো সুর শোনা যাচ্ছে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের গলায়। চরম ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি পুরো বিষয়টিকে ঘোর ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে তোপ দাগেন। তাঁর সোজা কথা, মমতাদির ছবি ও তৃণমূলের নাম ব্যবহার করে ভোটে জিতে যাঁরা দিল্লি পৌঁছালেন, তাঁরাই এখন বিজেপির হাত ধরে নিজস্ব এজেন্ডা চালাচ্ছেন।
একদিকে দিল্লি যাত্রা, অন্যদিকে নবান্নের গোপন আলোচনা—সব মিলিয়ে কোন দিকে মোড় নিচ্ছে রাজ্যের রাজনীতির ভবিষ্যৎ? সেই উত্তর পাওয়ার জন্য এখন গোটা বাংলার চোখ দিল্লির এনডিএ বৈঠকের দিকে।
