নিউজ পোল ব্যুরো: ৪ঠা মে ভোটের ফলাফলের পর পালাবদল হয়েছে রাজ্য সরকারের। আর তারপর থেকেই রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে একের পর এক পরিবর্তন এসেছে। বাদ যাচ্ছেনা শিক্ষাব্যবস্থাও, আসছে একের পর এক নতুন শিক্ষানীতি (Education Policy)। NEP (National Education Policy) ২০২০ এর সাথে কিছুটা তাল মিলিয়ে এবার ভারতের বিভিন্ন বোর্ডের স্কুলগুলির পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে আনা হচ্ছে বড় রকমের পরিবর্তন। এবার শুধুমাত্র মুখস্থ বিদ্যা নয়, বরং ছাত্রছাত্রীদের সাধারণ জ্ঞান, উপস্থিত বুদ্ধি, চিন্তাশক্তি, বিশ্লেষণের ক্ষমতা এবং হাতে কলমে প্রয়োগ করার ক্ষমতা যাচাই করে নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: Sharmila Tagore: তৈমুরের নাম নিয়ে পুরনো বিতর্ক, এ বার শর্মিলা ঠাকুরকে কটাক্ষ শমীক ভট্টাচার্যের
পরীক্ষাব্যবস্থাকে শুধুই পুঁথিগত বিদ্যার ওপর যাতে নির্ভর করতে না হয় সেদিকেই এবার নজর রাখছে কেন্দ্রীয় সরকার। আমাদের রোজকার জীবনে থিওরির থেকে প্র্যাকটিক্যাল জ্ঞানই বেশি কাজে লাগে। তাই শুধু বইয়ের লাইন মুখস্থ করে পরীক্ষায় নম্বর পাওয়াকেই মেধা হিসেবে আর ধরে নেওয়া যাচ্ছেনা। এর ফলে বাচ্চাদের কোনো কিছু না বুঝেই মুখস্থ করার প্রবণতা কমবে, তাদের বিশ্লেষণাত্মক চিন্তা ও সমালোচনামূলক চিন্তা করার প্রবণতা বাড়বে। প্রয়োগমূলক প্রশ্নের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, ফলে বাস্তব জগতের সাথে শিক্ষার একটা যোগসূত্র স্থাপন করা সম্ভব হবে।
শিক্ষাক্ষেত্রে এই নতুন শিক্ষানীতি (Education Policy) বিভিন্ন ভাবনা ভাবছেন স্কুল শিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মন। তিনি জানিয়েছেন ধাপে ধাপে এটিকে বাস্তব রূপ দেওয়া হবে। তবে এর সর্বপ্রথম ধাপ শিক্ষকদের এই নতুন পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত করা। তার জন্য কিছু ওয়ার্কশপ করার কথাও ভাবা হচ্ছে। শিক্ষকদের এই বিষয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে যাতে তারা পরীক্ষাব্যবস্থাকে সঠিক রূপ দিয়ে পারেন। শুধু তাই নয় তিনি জানিয়েছেন, শিশুদের রিপোর্ট কার্ড তৈরির ক্ষেত্রে এবার বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাবে। কারণ সেখানে শুধুমাত্র বিষয়ভিত্তিক নম্বর থাকবেনা। তাছাড়াও নম্বর থাকবে তাদের আচরণ, উপস্থিত বুদ্ধি, সম্মিলিতভাবে কাজ করার দক্ষতা ও অন্যান্য বিষয়।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক: https://youtube.com/@thenewspole
