নিউজপোল ব্যুরো: ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস নিয়ে বিতর্ক যেন কিছুতেই থামছে না। এবার সামনে এল অফিসের ভাড়া ও চুক্তির শর্ত ঘিরে আরও এক দফা অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে দাবি, ২০২০ সালে বাড়ির মালিক রমাদেবী গোয়েঙ্কার সঙ্গে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের একটি চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তিতে ১৭ হাজার বর্গফুটের ৭ ও ৮ তলার জায়গা অফিস হিসেবে নেওয়ার কথা ছিল।
মালিকপক্ষের অভিযোগ, ওই জায়গার জন্য বাজারদরের তুলনায় অনেক কম অঙ্কের সিকিউরিটি ডিপোজিট দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের দাবি, দু’দফায় মোট ৫০ লক্ষ টাকা সিকিউরিটি ডিপোজিট দেওয়া হয়। পাশাপাশি ৭ ও ৮ তলা মিলিয়ে মাসিক ভাড়া নির্ধারিত ছিল ১০ লক্ষ টাকা। কিন্তু বর্তমানে প্রায় পাঁচ মাসের ভাড়া বকেয়া রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
চুক্তির শর্ত নিয়েও তৈরি হয়েছে বড় প্রশ্ন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কমপ্লিশন সার্টিফিকেট বা CC না পাওয়া পর্যন্ত ওই জায়গায় দখল নিয়ে ব্যবহার বা কোনও ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন করা যাবে না—এমন শর্ত ছিল চুক্তিতে। তার আগে শুধুমাত্র ‘ফিট আউট’ সংক্রান্ত কাজের জন্য জায়গাটি ব্যবহার করার কথা ছিল বলে দাবি।
মালিকপক্ষের অভিযোগ, সেই শর্ত মানা হয়নি। তাঁদের আরও দাবি, প্রভাব খাটিয়ে বর্তমানে পলাতক বিনয় মিশ্র এবং জেলবন্দি শান্তনু বিশ্বাস-সহ কয়েকজন কার্যত অফিসের দখল নেন। যদিও এই অভিযোগগুলির সত্যতা তদন্তের বিষয় এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এখনও সামনে আসেনি।
এর আগে বাড়ির মালিকের তরফে আরও দাবি করা হয়েছিল, ২০২০ সালে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সঙ্গে এই ভবন নিয়ে চুক্তি হয়েছিল। সেই চুক্তিতে বর্তমানে জেলবন্দি তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তী সই করেছিলেন বলেও দাবি করা হয়। CC না পাওয়া পর্যন্ত দখল বা কাঠামোগত পরিবর্তন না করার শর্ত থাকলেও তা মানা হয়নি—এমন অভিযোগও ওঠে।
