বইমেলার ৫০তম গোল্ডেন জুবিলিতে নতুন প্রজন্মের পাঠকদের জন্য থাকবে অভাবনীয় সারপ্রাইজ! সাংবাদিকদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠকের পর বড় আপডেট প্রসেনজিৎ বক্সীর

breakingnews আইন কলকাতা প্রযুক্তি বইমেলা ২০২৫

নিউজপোল ব্যুরো: কলকাতার বইপাড়ায় এখন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে অন্যরকম ব্যস্ততা। কারণ এবার আর পাঁচটা বছরের মতো সাধারণ আয়োজন নয়, সামনে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার ৫০তম বর্ষ। অর্ধশতকের এই মাইলফলককে স্মরণীয় করে তুলতে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে আয়োজকরা। সেই প্রস্তুতিরই গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে অনুষ্ঠিত হল বিশেষ বৈঠক। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ডের সভাপতি প্রসেনজিৎ বক্সী।

কলকাতা বইমেলা বরাবরই বইপ্রেমীদের কাছে আলাদা আবেগের জায়গা। নতুন বইয়ের গন্ধ, প্রিয় লেখকের সঙ্গে দেখা, প্রকাশকদের নতুন প্রকাশনা এবং আড্ডা—সব মিলিয়ে বছরের অন্যতম বড় সাংস্কৃতিক উৎসব হয়ে ওঠে এই মেলা। ফলে ৫০তম বর্ষকে ঘিরে প্রত্যাশাও অনেক বেশি। আয়োজকদের লক্ষ্য, এই বিশেষ সংস্করণকে এমনভাবে সাজানো যাতে মেলার ইতিহাসের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের পাঠকদেরও যোগ তৈরি হয়। তবে এবারের বইমেলায় থাকছে একটি বড় পরিবর্তন। প্রথমবার কলকাতা বইমেলা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ। দীর্ঘদিন ধরে কলকাতা বইমেলায় বাংলাদেশের প্রকাশনা সংস্থা এবং লেখকদের উপস্থিতি ছিল অন্যতম আকর্ষণ। বাংলাদেশের বই, সাহিত্য ও প্রকাশনা নিয়ে পাঠকদের আগ্রহও বরাবরই চোখে পড়ার মতো। সেই জায়গায় এবার বাংলাদেশের অনুপস্থিতি বইমেলার আবহে নিঃসন্দেহে একটি বড় পরিবর্তন।

৫০তম বইমেলার প্রস্তুতি বৈঠকে মেলার আয়োজনকে আরও সুষ্ঠু ও আকর্ষণীয় করার বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। দেশ-বিদেশের প্রকাশক ও বইপ্রেমীদের অংশগ্রহণ, মেলার পরিকাঠামো, দর্শকদের সুবিধা এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা—একাধিক বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে এবারের পরিকল্পনায়।

প্রসেনজিৎ বক্সীর সাংবাদিক বৈঠক ঘিরেও তাই তৈরি হয়েছে আগ্রহ। অর্ধশতকের মেলায় কী কী নতুনত্ব থাকবে, কোন কোন প্রকাশনা সংস্থা অংশ নেবে এবং এবারের আয়োজন কতটা আলাদা হতে চলেছে—সেদিকেই এখন নজর বইপ্রেমীদের।

সব মিলিয়ে ৫০তম কলকাতা বইমেলা ঘিরে কাউন্টডাউন কার্যত শুরু। একদিকে ইতিহাসের ৫০ বছর পূরণের আবেগ, অন্যদিকে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি—দুইয়ের মিলনে এবারের বইমেলা যে অন্যরকম হতে চলেছে, তা প্রস্তুতির শুরুতেই স্পষ্ট।