নিউজপোল ব্যুরো: নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের প্রার্থী ঘোষণা ঘিরে সরব দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, হারার আশঙ্কা থাকলেই অনেকে আগে প্রার্থী ঘোষণা করে প্রচারের আলোয় আসতে চান। তিনি আরও বলেন, বিজেপি সংগঠিত দল বলেই প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও দলের নিয়ম মেনেই এগোতে হয়। দলের পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠকের পরই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের প্রার্থী চূড়ান্ত হবে।
তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণা প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘বাড়ির চাকর-বাকরকেও ক্যান্ডিডেট করে দিলেই চলে।’ জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে দুই তৃণমূল শিবিরের টানাপোড়েন প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, আদালত বা নির্বাচন কমিশন যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই চূড়ান্ত। তাঁর দাবি, ভোটে প্রতীকের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ মানুষের সমর্থন।
আরও দেখুন:-বিএসএফের তৎপরতায় বাঁচল ১০ প্রাণ, গঙ্গা থেকে উদ্ধার ৩ শিশু-সহ ১০ বাংলাদেশি
উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা নিয়েও এদিন একাধিক মন্তব্য করেন দিলীপ ঘোষ। মুর্শিদাবাদকে ‘উপদ্রুত জেলা’ উল্লেখ করে তাঁর অভিযোগ, সেখানে বারবার রাষ্ট্রবিরোধী গতিবিধি, অশান্তি এবং বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেছে। অতীতে ট্রেনে আগুন লাগানোর ঘটনাও উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, কলকাতা থেকে মালদা—যে জেলাই হোক, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং এই ধরনের বিশৃঙ্খলা বন্ধ করাই লক্ষ্য হওয়া উচিত। পাশাপাশি লেনিন সরণির নাম পরিবর্তনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্রিটিশ বা বিদেশি ব্যক্তিত্বদের নামে থাকা রাস্তার নাম নিয়ে নতুন করে ভাবা যেতে পারে। জুনপুটে DRDO প্রকল্পকে দেশের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির অংশ হিসেবেও দেখেছেন তিনি। কলকাতায় গণেশ পুজোর বাড়বাড়ন্তকে স্বাগত জানিয়ে দিলীপের মন্তব্য, গণেশ শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক।
