নিউজপোল ব্যুরো: নাগরিকত্বের অপেক্ষায় থাকা হাজার হাজার আবেদনকারীকে ঘিরে এবার রায়গঞ্জের সভা থেকে একাধিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। CAA-র শুনানি শেষ করার সময়সীমা থেকে শুরু করে হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব এবং ভোটার তালিকায় নাম তোলার প্রসঙ্গ—সবকিছু নিয়েই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন তিনি। একই সঙ্গে বাংলাদেশি সন্দেহে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কোনও হিন্দু শরণার্থী রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী।
সভা থেকে শুভেন্দু বলেন, “আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আয়রন ম্যান, অমিত শাহজি এখন আমার ওপরেই দায়িত্ব দিয়ে দিয়েছেন, CAA সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য।” তাঁর দাবি, বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় কারণে বিতাড়িত হয়ে আসা হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়ায় গতি আনা হবে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, জেলাশাসকের কাছে প্রায় ৯ হাজার আবেদনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর নির্দেশ, “জেলাশাসককে বলে গেলাম, ৯ হাজার আবেদন রয়েছে।” এই আবেদনগুলির শুনানি ৩০ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে বলেও জানান তিনি।
শুভেন্দু আরও বলেন, “বাংলাদেশ থেকে যাঁরা প্রাণ আর ধর্ম বাঁচাতে এসেছেন, তাঁরা কিন্তু অনুপ্রবেশকারী নন। তাঁরা শরণার্থী।” তাঁর বক্তব্য, CAA-র আওতায় থাকা হিন্দু, শিখ, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ও জৈন সম্প্রদায়ের যোগ্য আবেদনকারীরা নাগরিকত্বের সুযোগ পাবেন।
এদিন বাংলাদেশি সন্দেহে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কোনও হিন্দু শরণার্থী রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখারও নির্দেশ দেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, “একজনও বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু শরণার্থী যাতে জেলে না থাকে। তার আইনি প্রক্রিয়া করতে হবে।”
