নিউজ পোল ব্যুরো: কেরালার (Kerala) রাজনীতি ফের তেতে উঠেছে এক প্রতীকের জেরে। ‘ভারত মাতা’র (Bharat Mata) ছবি এবং গেরুয়া পতাকা দু’টি চিহ্ন ঘিরে রাজ্য সরকার ও রাজভবনের মধ্যে তৈরি হয়েছে তীব্র টানাপড়েন। মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন (Pinarayi Vijayan) এবার সরাসরি রাজ্যপালকে চিঠি লিখে জানালেন, ‘ভারত মাতা’র ছবি সরকারি অনুষ্ঠানে ব্যবহার সংবিধানবিরোধী ও পক্ষপাতদুষ্ট প্রতীকচর্চা।
আরও পড়ুন: India Military Satellites: মহাকাশে ভারতের ‘চোখ’, চিন-পাকিস্তানের প্রতি নজরদারিতে ৫২ সামরিক উপগ্রহ!
সম্প্রতি কেরালার (Kerala) রাজভবনে ‘ভারত স্কাউটস অ্যান্ড গাইডস’-এর এক অনুষ্ঠানে ‘ভারত মাতা’র (Bharat Mata) ছবি ও গেরুয়া পতাকা তুলে ধরায় শুরু হয়েছে প্রবল রাজনৈতিক বিতর্ক। অনুষ্ঠানে (Kerala) উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সরকারের সাধারণ শিক্ষামন্ত্রী ভি শিবানকুট্টি। কিন্তু ‘সরকারি প্ল্যাটফর্মে বিভাজনমূলক প্রতীক’ ব্যবহারের বিরোধিতা করে তিনি প্রকাশ্যে অনুষ্ঠান বয়কট করেন ও ওয়াকআউট করেন। এরপরে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন (Pinarayi Vijayan) ব্যক্তিগতভাবে রাজ্যপালকে চিঠি লিখে এই বিষয়ে রাজ্য মন্ত্রিসভায় গভীর আপত্তি জানান।
বিজয়নের (Pinarayi Vijayan) যুক্তি স্পষ্ট, ‘ভারত মাতা’ ও গেরুয়া পতাকা রাষ্ট্রের নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতীক। তাই সরকারি অনুষ্ঠান, যেখানে সকল মতের মানুষ উপস্থিত থাকেন, সেখানে এমন প্রতীক থাকা অনুচিত এবং অসাংবিধানিক। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সংবিধানে ‘ভারত মাতা’ নামক কোনও ধারণা নেই। এটি আরএসএসের (RSS) প্রচলিত ভাবনা। তারা এটিকে মানতে পারে, কিন্তু তা সবার ওপর চাপিয়ে দেওয়া যায় না।”
অন্যদিকে, রাজভবনের প্রতিক্রিয়া ছিল তীব্র। বিবৃতিতে বলা হয়, একজন মন্ত্রীর এমন আচরণ প্রোটোকলের লঙ্ঘন এবং রাজ্যপালের প্রতি অশ্রদ্ধা। আরও অভিযোগ ওঠে, মন্ত্রী ইচ্ছাকৃতভাবে সংঘর্ষ তৈরি করতে এসেছিলেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী মন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে আবারও জোর দিয়ে বলেন, “সরকারি অনুষ্ঠানকে নিরপেক্ষ ও ধর্মনিরপেক্ষ রাখাটাই আমাদের সাংবিধানিক কর্তব্য।”
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
