নিউজ পোল ব্যুরো: পাকিস্তানি সেলেব্রিটিরা ফের ভারতের ডিজিটাল পর্দা (Ban on pak social media) থেকে গায়েব। মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য খোলা হয়েছিল যে জানালা, তা আবার বন্ধ হয়ে গেল বৃহস্পতিবার সকালেই। বুধবার বিকেলে আচমকাই ভারতের নেটিজেনরা দেখতে পান হানিয়া আমির, ফাওয়াদ খান, আয়েজা খান, মায়া আলি, মাওরা হোসেন, সনম সইদদের মতো তারকাদের সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ফের অ্যাক্সেসযোগ্য (Ban on pak social media)। স্বাভাবিক ভাবেই শুরু হয়েছিল জল্পনা! তাহলে কি ভারত সরকার (India Government) নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে? কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালেই দেখা গেল, ওই অ্যাকাউন্টগুলিতে ঢুকতে গেলে লেখা উঠছে, “এই কনটেন্টটি আপনার দেশে উপলব্ধ নয়। এটি আইনি অনুরোধ অনুযায়ী সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।”
আরও পড়ুন: Apache helicopter : জরুরি ভাবে নামানো হল বায়ু সেনার অ্যাপাচি হেলিকপ্টারকে, কি এমন ঘটল…
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ও ডিজিটাল জগতে (Digital generation) নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেকে বলছেন, এটা ভারতের ‘নরম অথচ কৌশলী’ ডিজিটাল কূটনীতি, যেখানে প্রতিক্রিয়া দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু প্রকাশ্যে ঘোষণা নয়। উল্লেখ্য, জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁও হামলার পর (Pahalgam Terror Attack) থেকেই পাকিস্তানি শিল্পী, সাংবাদিক ও মিডিয়া হাউসের বিরুদ্ধে ভারতে উসকানিমূলক ও সাম্প্রদায়িক প্রচার চালানোর অভিযোগ ওঠে। ফলস্বরূপ, ডন নিউজ, জিও নিউজ, এআরওয়াই, সামা টিভি-সহ একাধিক ইউটিউব চ্যানেল ও সোশাল প্ল্যাটফর্ম ভারতে নিষিদ্ধ হয়।
যদিও মাঝেমধ্যে কিছু অ্যাকাউন্ট (Ban on pak social media) অল্প সময়ের জন্য ফিরে আসে, কিন্তু স্থায়ীভাবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো ইঙ্গিত এখনো নেই। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হলেও, স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে পাকিস্তানি প্রভাব খাটানো কনটেন্ট নিয়ে ভারত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার নেপথ্যে কোনও রাজনৈতিক বার্তা আছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ডিজিটাল দুনিয়ায় তথ্য যুদ্ধ এখন শুধু রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নয়, জনমত তৈরির হাতিয়ারও। আর সেই লড়াইয়ে ভারত যে এখন অনেক বেশি সচেতন ও সক্রিয়, তা বলাই বাহুল্য।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
