নিউজ পোল ব্যুরো: ধর্ম প্রচারের মুখোশ পরে গোপনে চলছিল রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্ত! পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা (Pak Spy Arrest) ISI-এর হয়ে ওটিপির (OTP) মাধ্যমে তথ্য পাচার, ভারতীয় সিমকার্ড বিদেশে পাঠানো, এই সবের পেছনে থাকা দুই চক্রান্তকারীকে অবশেষে গ্রেফতার করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)। ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্যে।
আরও পড়ুন: Aadhar Card: পরিচয়ের ধাঁধা! আধার নয়, ভোটার কার্ডও নয়, তবে কী নাগরিকত্বের চাবিকাঠি?
গোপন সূত্রে খবর, পশ্চিম বর্ধমানের পানাগড় এলাকার মুকেশ রজক ও কলকাতার ভবানীপুরের রাকেশকুমার গুপ্তা নামে দুই ব্যক্তি (Pak Spy Arrest) একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হয়ে ধর্ম প্রচার ও ধর্মান্তরকরণের নামে রাজ্যের নানা প্রান্তে ঘুরে বেড়াত। তবে এর পেছনে চলছিল তথ্য পাচার ও গুপ্তচরবৃত্তির বড়সড় চক্রান্ত। ওটিপি পাঠিয়ে ভারতের সিমকার্ড বিদেশি এজেন্টদের হাতে তুলে দিত তারা। এর বিনিময়ে পেত মোটা টাকা। তদন্তে উঠে এসেছে, সংস্থার অ্যাকাউন্টেও বড় অঙ্কের টাকা লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে।
“অপারেশন সিঁদুর” (Operation Sindoor) চলাকালীন এসটিএফের (STF) নজরে আসে মুকেশ। তার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় শুরু হয় নজরদারি। এরপর পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থেকে রাকেশকে ও বর্ধমান শহরের একটি নার্সিংহোম থেকে অসুস্থ অবস্থায় মুকেশকে গ্রেফতার (Pak Spy Arrest) করা হয়। ধৃতদের জেরা করে জানা গেছে, তারা দিল্লি (Delhi) ও মুম্বইয়ের (Mumbai) কিছু সন্দেহভাজনের কাছে সিম ও ওটিপির মাধ্যমে তথ্য পাঠাত।
তবে ধৃতরা দাবি করেছে, তারা ISI-এর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়। যদিও তদন্তকারীরা সে দাবি মানতে নারাজ। কারণ, তাদের মোবাইল ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ঘেঁটে একাধিক সন্দেহজনক লেনদেনের খোঁজ মিলেছে। এই ঘটনায় রীতিমতো তোলপাড় স্থানীয় মহলে। প্রশ্ন উঠছে ধর্মের নামে চালানো এই ‘গুপ্ত’ যুদ্ধের পর্দা অবশেষে কি উঠছে? আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা জানতে জোর তদন্ত চালাচ্ছে এসটিএফ।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
