নিউজ পোল ব্যুরো: আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার (Ahmedabad Plane Crash) পর যে প্রশ্নগুলো উঠে এসেছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো— কেন বিমানের (Air India) ককপিটে (Cockpit) ভিডিও রেকর্ডার থাকে না? বিমানের দুর্ঘটনা তদন্তে বর্তমানে কেবলমাত্র অডিও রেকর্ডিংই একমাত্র উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে যেকোনো মূহুর্তের গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্য এবং ঘটনার স্বচ্ছতা আরও বেশি স্পষ্ট হতে পারে একটি ভিডিও রেকর্ডারের মাধ্যমে। এভাবে প্রশ্ন উঠছে, কেবল শব্দের ওপর নির্ভর না করে কেন ভিডিও রেকর্ডার (Video Recorder) রাখা হবে না? বিশেষত, যখন একে ভবিষ্যতে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানের জন্য একটি কার্যকরী টুল হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: “বাংলা বললেই হেনস্তা? এবার প্রতিবাদে রাজপথ কাঁপাবে তৃণমূল!”
আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার (Ahmedabad Plane Crash) তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পর এই বিষয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, বিমানের দুটি ইঞ্জিনের জ্বালানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে এটি ঘটেছে। এর আগের মুহূর্তে ককপিটে (Cockpit) পাইলটদের মধ্যে যে উদ্বিগ্ন কথোপকথন হয়েছিল, তা প্রকাশ পায় ফ্লাইট অডিও রেকর্ডার থেকে। আর এই অডিও রেকর্ডিং তদন্তকারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু, ককপিটে ভিডিও রেকর্ডার থাকার প্রশ্নে নানা বিতর্ক উঠেছে।
ককপিটে (Cockpit) ক্যামেরা না থাকার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। বিশেষত, অধিকাংশ বিমান পুরনো, যেখানে ক্যামেরা বসানো সম্ভব নয়। তবে নতুন বিমানগুলোতে (Air India) এই প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব, যদিও এতে পাইলটদের কিছু উদ্বেগ রয়েছে। অনেক পাইলট মনে করেন, ককপিটে ক্যামেরা থাকার ফলে তাদের গোপনীয়তা লঙ্ঘিত হবে এবং এই ভিডিও নজরদারির একটি মাধ্যম হতে পারে। তারা উদ্বিগ্ন যে, উড়ান সংস্থাগুলি এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের ব্যক্তিগত জীবন বা কাজের মধ্যে হস্তক্ষেপ করতে পারে। তবে, পাইলটদের এসব উদ্বেগের মাঝেও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, একটি ভিডিও রেকর্ডার বিমান দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান আরও সঠিকভাবে এবং দ্রুত করতে পারে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
