Dilip Ghosh : ২৬-এর নির্বাচনে যদি কোনও মুসলিম উপমুখ্যমন্ত্রী হয় তাহলে অবাক হওয়ার কিছু নেই, কেন একথা বললেন দিলীপ?

কলকাতা জেলা রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: বিধানসভা নির্বাচন জত এগিয়ে আসছে ততই বাংলার রাজনৈতিক মহলে চড়ছে উত্তেজনার পারদ। বুধবার তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর নিজের দল গড়ার কথা বলে শাসক তৃনমূলের অস্বস্তি বাড়িয়ে দিয়েছে। জানিয়ে দিয়েছেন ১৫ আগস্টের পর তিনি তাঁর নতুন দলের নাম ঘোষণা করবেন। হুমায়ুনের ঘোষণার পর স্বাভাবিক ভাবেই শাসক শিবিরের অন্দরে বড় ঝড় উঠেছে। তা নিয়েই এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) খোঁচা দিলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। মুখ খুললেন হুমায়ুন কবীরের নিজের দল খোলা প্রসঙ্গেও।

বৃহস্পতিবার নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে নির্বাচনের আগে হুমায়ুনের দল গঠন প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, “ওনাকে কেউ কোনোদিন ধরে রাখতে পারেনি । পশ্চিমবঙ্গে যত দল সব করা হয়ে গিয়েছে তাই নতুন দল করার দরকার। এটা শুধু উনার ইচ্ছা নয় তৃণমূলও চাইতো। এদিকে পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি যাচ্ছে ২৬-এর নির্বাচনে যদি কোন মুসলিম উপমুখ্যমন্ত্রী হয় তাহলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আইএসএস বা নতুন কোন দলের যে কথা উঠছে ১০০ টা মুসলিম সিট জেতার মতো পরিস্থিতি আছে নতুন দল হবে মুসলিমদের তারা দাবি করবে উপমুখ্যমন্ত্রী চাই তাদের। পরের বার বলবে যে মুখ্যমন্ত্রী করবে মুসলিমকে তাকে আমরা সাপোর্ট করবো। যোজনাবদ্ধভাবে এগোচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সব জানে।” হুমায়ুনের নতুন দল গঠনের পিছনের কি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত রয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তরে চাঞ্চল্যকর দাবি করে বিজেপি নেতা বলেন, “সন্দেহ হয় এটা হতে পারে না হলে ও কিসের জোরে করছে সব দল করা হয়ে গিয়েছে দেখা হয়ে গিয়েছে এবার নিজের দল মুসলিম দল করবেন উনি।”

আরও পড়ুন : West Bengal Assembly Election: “দুগ্গা দুগ্গা”-য় শুরু, “ভোট যুদ্ধে” শেষ! বাংলায় দুর্গাকে ঘিরে বিজেপি বনাম তৃণমূলের সংঘাত তুঙ্গে

বাংলায় স্বচ্ছ নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাব প্রসঙ্গেও এদিন মুখ খুলেছেন তিনি। দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেছেন, “নির্বাচন কমিশনের প্রপোজাল ফেয়ার ইলেকশন নিয়ে এসব কার্ড পয়সা দিলেই পাওয়া যায়। বাড়ির কুকুরেরও আধার কার্ড করা সম্ভব।। এসব পরিচয় পত্র হিসেবে ধরা হচ্ছে না। পশ্চিমবঙ্গে রাস্তায় বস্তা বস্তা ভোটার কার্ড ও আধার কার্ড পাওয়া গেছে। যে ১০ বছর আগে বাংলাদেশ থেকে এসেছে আর যে এখানে রয়েছে আজীবন সেই দুজন এক হতে পারে কি। বাংলাদেশে ভোটার লিস্টে নাম রয়েছে অথচ এখানেও আছে এমনও দেখা গেছে। আলাদা করা দরকার এদের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশি ভুয়ো ভোটারদের সামনে দাঁড়াচ্ছে।”
হিন্দু মুসলমান ভোট ভাগাভাগি হলে তবেই বিজেপির জেতা সম্ভব ? প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “ভারতীয় সংবিধানের আঁধারে রাজনীতি করি আমরা। সবার সাথে সবার বিকাশে বিশ্বাসী এই স্লোগান আমরাই দিয়েছি। বিজেপি এই ভাবেই চলবে।”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT