CBI: ঘুষের রেট কার্টে ট্যাক্স? সোনা কেজি প্রতি ১০ টাকার ঘুষে ধরা পড়ল কাস্টম অফিসার

অপরাধ দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: ঘুষ নেওয়ার অপরাধে দিল্লি কাস্টম সুপারিনটেনডেন্টকে (custom super) এদিন গ্রেফতার করলো সিবিআই (CBI)। মূলত ঘুষ চাওয়া হয় সোনার কেজি প্রতি ১০ টাকা হারে! আর এখানেই সংঘাত বাঁধে সোনা আমদানি কারকের সঙ্গে সুপারিনটেনডেন্টের। কাস্টম সুপারিনটেনডেন্ট দাবি করেন, সোনা কেজি ১০ টাকা হারে ঘুষ দিতে হবে। সেই অনুযায়ী ১০ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার মত মূল্য কিংবা বলা ভালো ঘুষের মূল্য ধার্য করেন কাস্টম সুপারিনটেনডেন্ট। কিন্তু ব্যবসায়ী সেই টাকা দিতে অস্বীকার করলে সিবিআই (CBI) খবর পান এবং কাস্টম সুপারকে গ্রেফতার করেন। ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লি বিমানবন্দরে।

আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: প্লাবিত আরামবাগে মানবিক মুখ্যমন্ত্রী, খিচুড়ি হাতে ত্রাণ শিবিরে মমতা

সোনা আমদানিকারি ব্যবসায়ীর কাছে ঘুষ চাওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে কাস্টম সুপারের (custom super) বিরুদ্ধে। বিরোধ বাঁধে ঘুষের রেট নিয়ে। সংঘাতের জেরে সিবিআই (CBI) খবর পেয়ে যায়। হাতে-নাতে ৬ লক্ষ টাকা নগদ টাকা সহ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইতিহাসে ঘুষের প্রমাণিত তথ্য পাওয়া যায় খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকের সময়কাল থেকে। পরবর্তীকালে চাণক্য বলেছেন, মাছ যেমন জলের মধ্যে থেকে কখন জল খেয়ে ফেলে তা যেমন ধরা যায় না, তেমনি সরকারি কর্মচারী কখন ঘুষ খেয়ে নেবেন, ধরা অসম্ভব। তবুও চোরের সাতদিন গৃহস্থের একদিন, মেনে নিয়ে চোর শেষ পর্যন্ত ধরা পরেই যায়। আধুনিক যুগে ২০১০ সালে এক বিচারককে ১৩৭ হাজার মিলিয়ন ডলার ঘুষ দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। ঘটনাটি ঘটেছিল এল্কাতেল-লুসেল কোম্পানির সঙ্গে।

২০১৪ সালে গ্লাক্সো কম্পানিকে জরিমানা ধার্য করা হয় ৪৯০ বিলিয়ন ডলার , অভিযোগ- চিনের ডাক্তারদের তার কোম্পানির ওষুধ চালানোর চেষ্টার অপরাধে। শুধু ভারতবর্ষ নয়, বিশ্ব জুড়ে ঘুষের রমরমা কারবার দেখতে পাওয়া যায় কিংবা বলা ভালো অনুভব করা যায়। চাণক্যর সেই প্রবাদ বাক্য প্রতিদিন প্রতিনিয়ত প্রমাণ হয়ে চলেছে বিশ্বের প্রতিটি কোণে। তবে ঘুষের আধুনিকীকরণ যে সম্ভব হয়েছে তা প্রমাণ পাওয়া গেল এবার সরাসরি শতকরা হারের প্রয়োগে। আপ্তবাক্য বলা হয়, ধরা পড়লেই সে চোর। আর ধরা না পড়লে সে ••••। সিবিআই শুল্ক দপ্তরের সুপারকে বিচারের জন্য আদালতে পেশ করা হয়েছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole