নিউজ পোল বাংলা: চলতি বছরের রয়েছে বিহারে বিধানসভা নির্বাচন। ক্ষমতা দখলের লড়াই শুরু হয়েছে জোর কদমে। বাংলার প্রতিবেশি এই রাজ্যে বেড়েছে কেন্দ্রিয় নেতাদের আনাগোনা। শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার বিহারে যৌথভাবে সীতামারির পুনৌরধামে জানকি মন্দিরের (Janki Mandir) পুনর্নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। এই জায়গাকে দেবী সীতার জন্মস্থান বলে মনে করা হয়। এই উদ্যোগের লক্ষ্য ধর্মীয় পর্যটন বৃদ্ধি এবং এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা।
শাহ শুক্রবার পুনৌরা ধামে মা জানকি মন্দিরের (Janki Mandir ) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে বিহারের সীতামারহিতে যান। অযোধ্যায় একটি বিশাল রাম মন্দিরের আদলে মন্দিরটি তৈরি করা হবে। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার এবং আরও বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। মা সীতার মন্দিরটি ৬৭ একর জমিতে তৈরি হবে । সভা থেকে শাহ বলেছেন তিনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে। বৃহস্পতিবার, একটি এক্স পোস্টে, অমিত শাহ বলেন, “আগামীকাল সমগ্র দেশের জন্য, বিশেষ করে মিথিলাঞ্চলের জন্য একটি অত্যন্ত শুভ এবং আনন্দের দিন, যখন বিহারের সীতামারহিতে মা সীতার জন্মস্থানে পবিত্র ‘পুনৌরা ধাম মন্দির’ এবং এর প্রাঙ্গণের ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে।”
এদিন মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পাশাপাশি শাহ লালুপ্রসাদ যাদবকে আক্রমণ করেছেন। “লালুপ্রসাদ কাকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন?” তুলেছেন প্রশ্নও। অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বিরোধীরা প্রশ্ন তোলায় কটাক্ষও করেছেন শাহ। বলেছেন, “ইউপিএ শাসনামলে ভারতে সন্ত্রাসবাদী হামলা ঘন ঘন হত।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এদিন মোদী সরকারের অধীনে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা উন্নত করার দাবিও করেন। তিনি বিহারের রেলওয়ে পরিকাঠামোর জন্য পূর্ববর্তী ইউপিএ সরকারের বরাদ্দ নিয়ে বলেন, “কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে লালুজি বিহারের রেলওয়ে উন্নয়নের জন্য মাত্র ১,১৩২ কোটি টাকা অনুমোদন করেছিলেন, যেখানে আমাদের সরকার ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এর জন্য ১০,০৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল।”
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
প্রসঙ্গত, বিহার মন্ত্রিসভা চলতি ১ জুলাই মন্দির কমপ্লেক্সের সমন্বিত উন্নয়নের জন্য ৮৮২.৮৭ কোটি টাকা অনুমোদন করে। ৮৮২.৮৭ কোটি টাকার মধ্যে ১৩৭ কোটি টাকা পুরাতন মন্দির এবং প্রাঙ্গণের উন্নয়নে ব্যয় করা হবে, ৭২৮ কোটি টাকা পর্যটন সম্পর্কিত উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করা হবে এবং ১৬ কোটি টাকা ১০ বছর ধরে ব্যাপক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ব্যয় করা হবে।
