নিউজ পোল ব্যুরো: ভারতের মাটিতে ভারতীয়দের রক্ত ঝড়ানোর পরিণাম হাড়ে হাড়ে বুঝেছে পাকিস্তান। পহেলগাঁওতে ধর্ম জেনে বেছে বেছে হিন্দু নিধনের ভয়ঙ্কর ভাবে পেয়েছে পাকিস্তান। অপারেশন সিঁদুর অভিযানের মধ্যে দিয়ে পাকিস্তানের ভিতরে গিয়ে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। তারর পরেই পাকিস্তানের হামলার জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা। ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force) প্রধান এপি সিং জানিয়েছেন, অপারেশন সিঁদুরে (Operation Sindoor) পাকিস্তানের ৫টি যুদ্ধবমান ধ্বংস হয়েছে।
বেঙ্গালুরুতে এক সমাবেশে বায়ুসেনাপ্রধান বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনীর ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা অপারেশন সিন্দুরের সময় পাঁচটি পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান এবং আকাশপথে নজরদারির জন্য তৈরি আরেকটি বিমান ধ্বংস করেছে। তিনি ভারতীয় সেনার সাফল্যের কথা তুলে ধরে বলেন, “আমাদের এয়ার ডিফেন্স দুরন্ত কাজ করেছে। এস-৪০০ সিস্টেম, যেটা আমরা সম্প্রতি মোতায়েন করেছিলাম সেটা খেলা ঘুরিয়ে দিয়েছিল। ওই সিস্টেমের শক্তি ওদের বিমানগুলিকে সত্যিই দূরে রেখেছিল। যেমন ওদের কাছে থাকা দূরপাল্লার গ্লাইড বোমাগুলির মতো অস্ত্রকে ওরা ব্যবহারই করতে পারেনি। কারণ এই সিস্টেমটাকে ওরা ভেদই করতে সক্ষম হয়নি।” বায়ুসেনাপ্রধান শত্রু আকাশসীমার অনেক ভিতরে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার জন্য রাশিয়ার তৈরি S-400 বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে কৃতিত্ব দিয়েছেন। এটিকে “গেম চেঞ্জার” বলেও উল্লেখ করেছেন। বলেছেন, “আমরা সম্প্রতি যে S-400 সিস্টেম কিনেছি, তা একটি গেম-চেঞ্জার হয়ে উঠেছে। সেই সিস্টেমের পরিসর তাদের বিমানগুলিকে তাদের অস্ত্র থেকে সত্যিই দূরে রেখেছে, যেমন তাদের কাছে থাকা দূরপাল্লার গ্লাইড বোমা। তারা এর একটিও ব্যবহার করতে পারেনি কারণ তারা সিস্টেমটি ভেদ করতে পারেনি।”
আরও পড়ুন: Operation Akhal: ‘অপারেশন আখল’ চলাকালীন কাশ্মীরে সেনা জঙ্গির গুলির লড়াইয়ে শহিদ দুই জওয়ান
বায়ুসেনা প্রধান (Indian Air Force) বলেছেন, “আমাদের কাছে কমপক্ষে পাঁচটি নিশ্চিত যুদ্ধবিমান ধ্বংসের এবং একটি বৃহৎ বিমান ধ্বংসের তথ্য রয়েছে, যা একটি ELINT বিমান অথবা একটি AEW&C (এয়ারবর্ন ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম) বিমান হতে পারে, যা প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরত্বে ধরা পড়ে। এটি আসলে এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে বড় ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপ করা ধ্বংস অভিযান।” বিমানবাহিনীর প্রধান পাকিস্তানের বিমান ঘাঁটিগুলির গুরুতর ক্ষতির বিষয়টিও নিশ্চিত করেছেন, যার মধ্যে জাকোবাবাদ বিমানবন্দরও রয়েছে যেখানে F-16 জেট ছিল। বলেছেন, “জকোবাবাদ বিমানঘাঁটিতে একটি F-16 হ্যাঙ্গার আছে। হ্যাঙ্গারের অর্ধেক অংশ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আমি নিশ্চিত ভেতরে কিছু বিমান ছিল যা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা মুরিদ এবং চাকলালার মতো কমপক্ষে দুটি কমান্ড এবং নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র খুঁজে পেতে সক্ষম হয়েছি। কমপক্ষে ছয়টি রাডার… আমাদের কাছে কমপক্ষে একটি AEW&C এবং রক্ষণাবেক্ষণাধীন কয়েকটি F-16 ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে।”
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
