নিউজ পোল ব্যুরো: শুভাংশু শুক্লার(shubhanshu shukla) সঙ্গে সাক্ষাৎ ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। সেই উপলক্ষ্যে মহাকাশ গবেষণা(Astronaut) বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra singh)বলেছেন ভারতের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র(Space research centre) বিষয়ে। জানালেন, ভারতের রোবট “ব্যোমমিত্র”(vyommitra) চাঁদে পাঠানো হবে ২০২৬ সালে। ২০২৭ সালে যাবে গগনায়ন(Gaganayaan)। তার থেকেও বড় ঘোষণা “বিকশিত ভারত”(vikshit Bharat)গড়ার লক্ষ্যে ২০৪৭ সালের মধ্যেই চাঁদের বৃত্তে ভারতের নিজস্ব গবেষণা কেন্দ্র গড়া হবে সম্পূর্ণ ভারতের প্রযুক্তিতে। ইসরো(ISRO) সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।
আরও পড়ুন: MBBS Admission: ওবিসি মামলার জটিলতায় বিপাকে ছাত্রছাত্রী, থমকাল মেডিক্যাল ভর্তি
আসুন আমরা মহাকাশ নিয়ে রূপকথার ঠাকুমার ঝুলি ছেড়ে রোবটের হাতে নতুন গল্প লেখার ভার ছেড়ে দি। চাঁদের চরকা কাটা বুড়ির দিন শেষ হয়ে নতুন গল্প লেখা হোক। তবে এই নতুন রূপকথা লিখতে খরচ হবে বছরে ৪৭ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে যে বাজেট আছে মাত্র ৮ বিলিয়ন ডলার।
নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন: ভারত আগামী কয়েক বছরে নিজের মহাকাশ স্টেশন গড়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এটি “ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন (Bharatiya Antariksha Station – BAS)” নামে পরিচিত হবে এবং প্রথম মডিউলটি ২০২৮ সালে উৎক্ষেপণ করা হবে, যেখানে সম্পূর্ণ স্টেশন ২০৩৫ সালের মধ্যে কার্যকর করা হবে । ২০৪৭ সাল পর্যন্ত বর্তমান গবেষণার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।(vikshit Bharat)
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি ও অগ্রগতি: এই মহাকাশ স্টেশন প্রকল্প সফল করতে ইসরো (ISRO)ইতিমধ্যেই স্পেস ডকিং এক্সপেরিমেন্ট (SpaDeX) চালিয়ে সাফল্য অর্জন করেছে; দুটো স্যাটেলাইট ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে কক্ষপথে সংযুক্ত করা হয়েছিল—এতে ভারত যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের পর মহাকাশে ডকিং প্রযুক্তিতে অভিজ্ঞ চতুর্থ দেশ হিসেবে আবির্ভূত হল।
দীর্ঘমেয়াদী মহাকাশ দর্শন: এই মহাকাশ স্টেশন গড়ার পরিকল্পনা শুধু একটি প্রকল্প নয়, বরং ভারতের মানববাহী চন্দ্র অভিযান এবং মহাকাশে দীর্ঘমেয়াদী উপস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। লক্ষ্য অনুযায়ী, ২০৪০ সালের মধ্যে ভারত থেকে একজন নভোচারী চাঁদের মাটিতে পৌঁছাবে ।
নতুন ইসরো(ISRO)প্রধান ডঃ ভি. নারায়ণন বলেন, স্বদেশে নির্মিত মহাকাশ স্টেশন ও মানবচালিত চন্দ্র অভিযানের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভারত এক বিশাল মহাকাশ শক্তিতে রূপান্তরিত হওয়ার পথে ।
এটা এখনই বলা যেতেই পারে, চাঁদের অভিযানকে(mars space station) সামনে রেখে ভারতের মহাকাশ রণনীতি (Space Research Organisation) এক নতুন স্তরে নিজেকে মডিফাই করেছে। ভারতের মহাকাশ গবেষণা ও মহাকাশের বুকে নিজস্ব গবেষণা কেন্দ্র এখন কিছু সময়ের অপেক্ষা।
