নিউজ পোল ব্যুরো: পুনে বিশ্ববিদ্যালয়ে (Pune University) সম্প্রতি হওয়া চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে ছাত্রসমাজের একাংশ তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। অভিযোগ, জুন থেকে আগস্টের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালিয়েছে, তাতে নানা গরমিল ও অনিয়ম রয়েছে। ঘোষিত ১৩৩টি শূন্যপদের বিপরীতে মাত্র ৮৬ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, বাকি পদ ফাঁকা রাখা হয়েছে ইচ্ছাকৃতভাবে।এই ইস্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংগ্রাম অভিযান কমিটির নেতা রাহুল সাসানে রাজ্যপালকে ই-মেল করে পুরো বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “প্রতিবার একই মানুষদের ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি হিসেবে নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: Joint Entrance Result 2025 : ১১৭ দিনের মাথায় প্রকাশিত রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্সের
নিয়োগ প্রক্রিয়ার সমস্ত খুঁটিনাটি— যেমন নম্বরপত্র, সংরক্ষণের রোস্টার, এবং নির্বাচনী কমিটির নাম— প্রকাশ্যে আনতে হবে। নাহলে স্বচ্ছতা প্রমাণ করা সম্ভব নয়।” বিশ্ববিদ্যালয়ের এক স্থায়ী অধ্যাপক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সংরক্ষণের রোস্টার প্রকাশ করা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাধ্যবাধকতা হলেও তা মানা হয়নি। তার মতে, “ইডব্লিউএস (EWS) এবং এসইবিসি (SEBC) বাদ দিলে নির্বাচিত ৮৬ জন প্রার্থীর মধ্যে কতজন এসসি, এসটি বা ওবিসি শ্রেণি থেকে এসেছেন? কেন সংরক্ষিত কোটায় মেধাবী প্রার্থী খুঁজে পাওয়া যায় না, অথচ সাধারণ কোটায় সহজেই পাওয়া যায়?

আসলে বিশ্ববিদ্যালয় (Pune University) ইচ্ছাকৃতভাবে পদ ফাঁকা রেখে ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি দিয়ে তা পূরণ করছে। এটি কর্তাদের ঘনিষ্ঠদের জন্য এক ধরনের ‘চাকরির গ্যারান্টি প্রকল্প’।”অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার জ্যোতি ভাকারে দাবি করেছেন, সমস্ত প্রক্রিয়া সরকারের নিয়ম এবং সংরক্ষণ নীতি মেনেই হয়েছে। তার বক্তব্য, “নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা ও বিভাগভিত্তিক তথ্য ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। যারা অভিযোগ করছেন, তারা চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দপ্তরে এসে নথিপত্র দেখতে পারেন। কোনও সহকারী অধ্যাপককে চুক্তিভিত্তিকভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়নি যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া।”তবে ছাত্রনেতাদের (Students ) দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবেই বহু শূন্যপদ রেখে দেওয়া হয়েছে যাতে পরবর্তীতে ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি নিয়োগ করা যায়।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
সাসানের কথায়, “ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি নিয়োগে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয় না, ইন্টারভিউ হয় না। বিভাগীয় প্রধান ও উপাচার্য তাদের ঘনিষ্ঠদের ডেকে এনে নিয়োগ দেন। ফলে যেসব পদ শূন্য আছে, সেগুলো গোপনে তাদের দিয়েই পূরণ করা হচ্ছে।”
