Tejas Jet Engine: শুল্কের ধাক্কা নয়, এবার কূটনৈতিক কৌশলের দাপট! যুদ্ধবিমান শক্তিতে আমেরিকার সঙ্গে ভারতীয় চুক্তির ‘টেকঅফ’

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: ট্রাম্পের (Donald Trump) ‘শুল্কবোমা’ নিয়ে তোলপাড় যখন বিশ্ব বাণিজ্য মহল, তখনই বিপরীত কৌশলে বাজিমাত ভারতের। কূটনৈতিক কষাকষি পেরিয়ে, এবার আমেরিকার (America) সঙ্গে এক বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা চুক্তির পথে হাঁটছে দিল্লি। তেজস যুদ্ধবিমানের (Tejas Jet Engine) জন্য ১১৩টি অত্যাধুনিক জিই-৪০৪ ইঞ্জিন কিনতে চলেছে ভারতীয় সরকার। যা শুধু বায়ুসেনার শক্তি বাড়াবে না, বরং ভারতের স্বনির্ভর প্রতিরক্ষা পরিকাঠামোর ভিতও আরও মজবুত করবে।

আরও পড়ুন: Donald Trump: ট্রাম্পের শুল্কের ঝড়, ভারত-পাক উত্তেজনার ছায়ায় বাণিজ্য হুমকি!

সূত্রের খবর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ও মার্কিন সংস্থা জেনারেল ইলেকট্রিক (GE)-এর মধ্যে এই বিশাল চুক্তির আলোচনা প্রায় শেষের পথে। সেপ্টেম্বরের মধ্যেই স্বাক্ষরিত হতে পারে এই ঐতিহাসিক সমঝোতা। এই চুক্তির আওতায় হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) তাদের এলসিএ (LCA) মার্ক-১এ তেজস যুদ্ধবিমানের (Tejas Jet Engine) জন্য এই ইঞ্জিনগুলি ব্যবহার করবে।

প্রসঙ্গত, বায়ুসেনার প্রয়োজন মেটাতে HAL ইতিমধ্যেই ৮৩টি যুদ্ধবিমানের জন্য বরাত পেয়েছে, যার জন্য ৯৯টি ইঞ্জিন কেনা চূড়ান্ত হয়েছে। এবার আরও ৯৭টি যুদ্ধবিমান তৈরির লক্ষ্যে ৬২ হাজার কোটির বরাত মিলেছে, যার জ্বালানিতেই এই অতিরিক্ত ১১৩টি ইঞ্জিনের (Tejas Jet Engine) প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে। HAL ও বায়ুসেনা চাইছে, এই ২১২টি ইঞ্জিন যেন নিরবচ্ছিন্নভাবে ও সময়মতো সরবরাহ করা হয়। GE-র প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, চুক্তি হলে প্রতি মাসে ২টি করে ইঞ্জিন সরবরাহ করা হবে। এর ফলে ২০২৯-৩০ সালের মধ্যে প্রথম দফার বিমান ডেলিভারি শুরু হবে, এবং ২০৩৩-৩৪ সালের মধ্যে শেষ দফার ৯৭টি বিমান বায়ুসেনায় যুক্ত হবে।

উল্লেখ্য, যুদ্ধবিমান সংকটে ভোগা ভারতীয় বায়ুসেনার কাছে এটি নিঃসন্দেহে বড় স্বস্তির খবর। বিশেষ করে মিগ-২১ অবসর নেওয়ার পরে নতুন ফ্লিট তৈরির চাপ ছিল প্রবল। সেই চাপেই গতি আনতে এবার মার্কিন ইঞ্জিনকে সঙ্গী করেই এগোচ্ছে ভারত। আন্তর্জাতিক শুল্ক রাজনীতির মাঝেও, জাতীয় স্বার্থে এত বড় চুক্তি করে কূটনৈতিক পরিণতির চমৎকার নিদর্শন রাখল ভারত।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole