Trishund Ganpati Temple : গণপতির বিরল রূপ! পুণেতে তিন শুঁড় ও ময়ূর বাহনের ত্রিশুণ্ড মন্দির

অফবিট

নিউজ পোল ব্যুরো: গণপতি মানেই মিষ্টি হাসি, গজমুখ ও শুঁড়। কিন্তু জানেন কি, পুণের(Pune) বুকে রয়েছে এমন এক গণেশমন্দির যেখানে দেবতার রূপ একেবারেই ভিন্ন! সোমওয়ার পেঠের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা প্রায় ২৫০ বছরের পুরনো ত্রিশুণ্ড গণপতি মন্দিরে(Trishund Ganpati Temple) দর্শনার্থীরা পান এক বিরল অভিজ্ঞতা। এখানে গণপতি এক নয়, তিনটি শুঁড় নিয়ে বিরাজমান। বাহনও সাধারণ ইঁদুর নয়, বরং ময়ূর দাদা কার্তিকের মতোই।

আরও পড়ুন: Japanese Hero:১০২ বছর বয়সেও মাউন্ট ফুজি জয় করলেন জাপানের কোকিচি আকুজাওয়া

১৭৫৪ সালে গিরি গোসাই সম্প্রদায়ের সন্ন্যাসী ভীমগিরিজি গোসাই মন্দিরটির নির্মাণ শুরু করেন। প্রথমে এটি ছিল শিবমন্দির, যার ছাদের অসংখ্য শিবলিঙ্গ আজও সেই ইতিহাসের সাক্ষী। তবে পরে এটি গণপতির মন্দির হিসেবে খ্যাতি পায়। আঠেরো শতকে এটি ছিল শুধু পূজার স্থান নয়, এক সাধনক্ষেত্রও। এখানেই স্থাপিত হয় ভীমগিরিজির সমাধি।

মন্দিরটির(Temple) স্থাপত্য শৈলী যথেষ্ট বৈচিত্রময়। কালো ব্যাসল্ট পাথরে গড়া এই আয়তাকার মন্দিরে পাওয়া যায় প্রাচীন গুহামন্দিরের ছাপ। রাজস্থানি(Rajasthani), মালওয়া(Malwa), দাক্ষিণাত্য এবং মারাঠি(Maratha) শিল্পের প্রভাব মিলেমিশে এক অনন্য রূপ দিয়েছে স্থাপত্যকে। ভাস্কর্যে ধরা পড়েছে পৌরাণিক জীবজন্তু, দেবদেবী ও যুদ্ধের জীবন্ত দৃশ্য। এমনকি একটি ফলকে খোদাই করা আছে বাংলার ইতিহাস পলাশীর যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের প্রতীকী ছবি। সেখানে ব্রিটিশ বাহিনী, গণ্ডার, সংস্কৃত-ফারসি-দেবনাগরী লিপি ও গীতার শ্লোকও স্থান পেয়েছে।

বর্তমানে মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে পুণে পুর কর্তৃপক্ষ। ধর্মীয় ভক্তি, অনন্য স্থাপত্যশিল্প ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব মিলিয়ে ত্রিশুণ্ড গণপতি মন্দির (Trishund Ganpati Temple) পুণে ভ্রমণের অফবিট তালিকায় অবশ্যই থাকা উচিত। গণেশ চতুর্থীর সময়ে মন্দিরটির আবেদন আরও বেড়ে যায়, তবে সারা বছর ধরেই এটি পর্যটকদের জন্য এক অমূল্য অভিজ্ঞতা।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole