নিউজ পোল ব্যুরো:দুধেল গাইকে খুশি করতে পুলিশ আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করছে”—শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya statement) অভিযোগ করেছেন রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনার পটভূমিতে।ঘটনাটি শুক্রবার সকাল ১১:৩০টার দিকে প্রদেশ কংগ্রেস কার্যালয়, বিধান ভবনে ঘটেছে।অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বিজেপি নেতা রাকেশ সিং,যার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনসহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।প্রাথমিকভাবে পুলিশের হাতে তার তিনজন ঘনিষ্ঠ সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে,তবে মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা।
আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/08/31/abhijit-gangopadhyay-slams-ssc-scam-incomplete-disqualified-list/
প্রদেশ কংগ্রেস সূত্রে জানা যায়,প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কটূক্তি সংক্রান্ত অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাকেশ সিং সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ সম্প্রচারের সময় সদলবলে বিধান ভবনে প্রবেশ করে তাণ্ডব চালান।তার প্রায় ৩০ জন অনুগামী রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়গের পোস্টার-ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে এবং ছবিতে কালি ছিটিয়ে দেয়।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya statement) এই ঘটনার প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে বলেন,-যে ভাষায় দেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ করা হয়েছে, তা সর্বাধিক ঘৃণ্য রাজনৈতিক আচরণ।এই আক্রমণ আমাদের কর্মীদের আবেগকে আঘাত করেছে,তাই সেখানে বিক্ষোভ হওয়াটাই স্বাভাবিক।তবে তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন,কংগ্রেসের পতাকায় আগুন লাগার ঘটনায় দল সমর্থন দেয়নি।শমীক অভিযোগ করেন,পুলিশ রাকেশ সিংয়ের বিরুদ্ধে যে মামলাগুলি করছে,তার পিছনে অন্য উদ্দেশ্য আছে।তিনি বলেন,-রাকেশ সিং এলাকার বহু মানুষের পরিত্রাতা এবং কিছু ব্লক ভোটারকে ‘দুধেল গাইকে খুশি করার জন্য’ পুলিশের এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার তীব্র ভাষায় বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন,-রাহুল গান্ধীকে ভয় পেয়ে লুকিয়ে চোরের মতো হামলা চালানো হয়েছে।হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রে ভোট চুরি করে জয়ী হয়েছে তারা।তিনি বিজেপিকে বর্বর দল হিসেবে উল্লেখ করেন।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
ঘটনার পর কংগ্রেস নেতৃত্ব এন্টালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,রাকেশ সিংয়ের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে।এই ঘটনার ফলে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
