Abdur Rahim Boxi acid threat:আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে আবদুর রহিম বক্সী,বিজেপি বিধায়ককে প্রকাশ্য সভায় অ্যাসিড হুমকি শাসক নেতার!

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো:মালদার রাজনৈতিক আবহাওয়া ফের উত্তাল হয়ে উঠল শাসক দলের জেলা সভাপতির মন্তব্যকে ঘিরে। শনিবার মালতিপুর বিধানসভার এনায়েতনগরে তৃণমূল কংগ্রেসের এক দলীয় সভায় বিতর্কিত মন্তব্য করেন জেলা সভাপতি আবদুর রহিম বক্সী (Abdur Rahim Boxi acid threat)। কার্যত প্রকাশ্য সভার মঞ্চ থেকেই তিনি সরাসরি বিজেপি বিধায়ককে হুমকি দেন।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/09/07/anubrata-mondal-suvendu-adhikari-mamata-ssc-exam-controversy/

আবদুর রহিম বক্সীর বক্তব্যে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি—“আরেকবার যদি শুনি আমরা বাঙালিরা রোহিঙ্গা বা বাংলাদেশি, তবে তোমার মুখের ভেতর অ্যাসিড ঢেলে কণ্ঠ পুড়িয়ে ছাই করে দেব।”

তাঁর বক্তব্যে এখানেই ইতি টানেননি জেলা সভাপতি। তিনি আরও বলেন,—“এটা পশ্চিমবঙ্গ। এখানে বাঙালিরা তোমাদের মুখে কথা বলার সুযোগ দেবে না। যে চোখ দিয়ে আমাদের বাংলাদেশি ভাবছ, সেই চোখ উপড়ে অন্ধ করে দেওয়া হবে। তোমাদের চুলের মুঠি ধরে পেটাতে পেটাতে বাংলাদেশে ঠেলে দেব।”

তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতির এই প্রকাশ্য অ্যাসিড হুমকিতে মুহূর্তে সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল। বিজেপি শিবিরের দাবি, এটি কেবল একটি “অশ্লীল ও গণতন্ত্রবিরোধী” মন্তব্য নয়, বরং সরাসরি রাজনৈতিক হিংসাকে উসকে দেওয়া।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

বিতর্ক যতই তীব্র হোক, নিজের অবস্থান থেকে একচুলও সরতে নারাজ আবদুর রহিম বক্সী (Abdur Rahim Boxi acid threat)। তাঁর সপাট দাবি,—“২ তারিখে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বিজেপির এক বিধায়ক বলেছিলেন আমরা বাঙালিরা বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা। তার প্রতিবাদেই আমি বলেছি—মুখে অ্যাসিড ঢেলে দিলে কণ্ঠরোধ হবে। এতে ভুল কিছু বলিনি। আমি শতভাগ ঠিক বলেছি।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আবদুর রহিম বক্সীর এই ধরনের মন্তব্য নতুন নয়। অতীতেও একাধিকবার তাঁর বেফাঁস মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর হুমকিমূলক ভাষা বারবার শাসক দলের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তাঁর অ্যাসিড হুমকি ঘিরে তৃণমূল-বিজেপি তরজা আরও চড়েছে। সমালোচকদের একাংশের মতে, রাজনীতির মঞ্চ থেকে এমন হিংসাত্মক মন্তব্য শুধু রাজ্যের রাজনৈতিক সংস্কৃতির মান কমাচ্ছে না, বরং গণতান্ত্রিক পরিবেশকেও বিপন্ন করছে।

এমন এক পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—প্রকাশ্যে হিংসার ভাষায় হুমকি দেওয়া কি রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ হয়ে দাঁড়াচ্ছে?নাকি এই ধরনের মন্তব্য রাজ্যের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য আরও অশনি সংকেত?