নিউজ পোল ব্যুরো: মালদহ থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা পুরো রাজ্য জুড়ে ফের কড়া নিরাপত্তার মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা (West Bengal Teacher Requirement 2025) হতে চলেছে। প্রায় ন’বছর পর আবার নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করছে স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। ২০১৬ সালের পরীক্ষার পরই ওএমআর কারচুপি এবং টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রির মতো চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে আসে। দীর্ঘ বিতর্ক ও স্থগিতাবস্থার পর অবশেষে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চলতি বছরের ৭ এবং ১৪ সেপ্টেম্বর দুই দফায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুন:Sweta Bhattacharya: বিতর্ক ভুলে স্বামীর জন্মদিনে মাতলেন অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্য
পরীক্ষার (West Bengal Teacher Requirement 2025) আগে শনিবার এসএসসি-র চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার (Siddhartha Majumder) জানিয়ে দিয়েছেন, নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়ে কোনও আপস হবে না। প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে এবং মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের ফ্রিস্কিং করা হবে। মহিলা পরীক্ষার্থীদের জন্য থাকবে আলাদা এনক্লোজ়ার এবং মহিলা নিরাপত্তারক্ষী। পরীক্ষার্থীরা কোনও অবস্থাতেই মোবাইল বা ইলেকট্রনিক যন্ত্র নিয়ে কেন্দ্রে ঢুকতে পারবেন না, এই নিয়ম মানতে হবে ভেন্যু সুপারভাইজ়ার এবং অবজ়ার্ভারদেরও। প্রতি ২৫ জন পরীক্ষার্থীর জন্য এক জন করে অবজ়ার্ভার থাকবেন, যাঁরা মূলত বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের শিক্ষক। ভেন্যু সুপারভাইজ়ারের দায়িত্বে থাকবেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ওএমআর (OMR Sheet) শিট। ২০১৬ সালের অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে এবার পরীক্ষার্থীদের ওএমআর-এর কার্বন কপি সঙ্গে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। উত্তরপত্রে অশ্লীল মন্তব্য, প্রতীক বা অঙ্কন থাকলে পরীক্ষা (West Bengal Teacher Requirement 2025) বাতিল হতে পারে। কমিশন জানিয়েছে, ওএমআর শিট দু’বছর সংরক্ষিত থাকবে, আর স্ক্যান কপি সংরক্ষিত থাকবে দশ বছর পর্যন্ত। পরীক্ষার কিছু দিন পর ‘আনসার কি’ (Answer Key) প্রকাশ করা হবে এসএসসি-র ওয়েবসাইটে, যা মিলিয়ে নিতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা।
কারচুপি রুখতে প্রতিটি অ্যাডমিট কার্ডে বার কোড যুক্ত করা হয়েছে এবং তা স্ক্যান করে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার দেওয়া হবে। এ ছাড়া সরকারি পরিচয়পত্র ছাড়া অন্য কোনও নথি নিয়ে হলে ঢোকা যাবে না। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu) পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, ৬৩৬টি কেন্দ্রে নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রশাসন সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।
