নিউজ পোল ব্যুরো: শরতের হাওয়া বইতে শুরু করেছে, শহর জুড়ে প্যান্ডেল খাটার শব্দে জানান দিচ্ছে মা আসছেন। তার আগে ব্যস্ততার মাঝেও পুজো নিয়ে নিজের অনুভূতি ভাগ করে নিলেন নুসরত জাহান। ছেলের জন্মের পর থেকে তাঁর দুর্গাপুজো যেন একেবারেই নতুন রূপ পেয়েছে। ঈশান এখন পুজোর অনেক কিছু বুঝতে শুরু করেছে, তাই মণ্ডপভ্রমণ থেকে আলোকসজ্জা সবটাই এখন ছেলের চোখ দিয়ে নতুন করে দেখছেন অভিনেত্রী। ‘চারুলতা’ সেজে ফটোশুটের মাঝে অভিনেত্রী অনর্গল বললেন, কীভাবে বদলে গিয়েছে তাঁর উৎসবের রুটিন।
আরও পড়ুন:Eye Care: চোখে কনট্যাক্ট লেন্স? সামান্য অসতর্কতাই ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
কপালে লাল টিপ, সুতির লাল শাড়ি আর পুরনো ঢঙে তৈরি ব্লাউজে সাজানো নুসরত জানান, ছেলে হওয়ার পর থেকে তিনি নিজের মধ্যেও এক অন্য পরিবর্তন অনুভব করছেন। গত বছর ঢাকের তালে নেচে খুশি হয়েছিল ঈশান, আর এই বছর ‘ঠাকুর ঠাকুর’ বলে মাতিয়ে তুলছে। মা হিসেবে পুজো এখন তাঁর কাছে আরও ব্যক্তিগত হয়ে উঠেছে। শুটিংয়ের ফাঁকেই ফোনে ছেলের দিকে নজর রাখছিলেন নুসরত, জানালেন সারাক্ষণই ঈশানের কথাই মাথায় ঘোরে।
তারকা অভিনেত্রী বললেন, পুজোর ক’টা দিন তিনি একেবারেই ডায়েট মানেন না। সারা বছর কড়া নিয়মে চললেও এই চারটে দিন রোল, মোগলাই, কাটলেট খেয়ে উৎসব উপভোগ করেন তিনি। ছোটবেলায় দক্ষিণ কলকাতার অলিগলিতে দাঁড়িয়ে এমন খাবার খাওয়ার অভ্যাস ছিল, এখন অবশ্য তা সম্ভব নয়। তাই বাড়িতে বাক্স করে এনে খান। তবে ছেলে ঈশানকে তিনি এখনও স্বাস্থ্যকর খাবারই দেন, যেমন মাছ দিয়ে পেঁপে বা আলুর ঝোল।
পুজোর দিনগুলোয় নুসরত সাধারণত শাড়িতেই সেজে ওঠেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। কিছুদিন আগে বেনারস থেকে কিনে আনা শাড়ি পরে উৎসব কাটাবেন তিনি। অভিনেত্রী আরও জানালেন, মেকআপ আর্টিস্টের বাড়িতে প্রতি বছর জমজমাট পুজো হয়, আর সেই বাড়িতে গিয়ে তিনি মেতে ওঠেন খাওয়া-দাওয়ায়। তাঁর নতুন ছবিও মুক্তি পাবে এই সময়, যেখানে বিশেষ নাচের দৃশ্যে দেখা যাবে তাঁকে। সব শেষে নুসরত বললেন, “এখন প্রতিমাদর্শনের সময় পাই না ঠিকই, কিন্তু ঈশানের জন্য এই বছর মণ্ডপে যেতেই হবে।” মা হয়ে যে তাঁর পুজোর রঙ বদলে গিয়েছে, সেই স্বীকারোক্তিতেই স্পষ্ট এখন দুর্গোৎসব মানেই নুসরতের কাছে ছেলের সঙ্গে কাটানো আনন্দমুখর চার দিন।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
