‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ বদলে দিয়েছে বাংলার অর্থনীতির চেহারা, প্রশংসায় RBI কর্তা

রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: একটা সামাজিক প্রকল্প কীভাবে রাজ্যের আর্থিক পরিকাঠামোয় আমূল পরিবর্তন আনতে পারে, তার জলজ্যান্ত উদাহরণ হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ (Lakshmi Bhandar) প্রকল্প। এই প্রকল্প শুধু দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত মহিলাদের আর্থিক স্বনির্ভরতার দিশা দেখায়নি, বরং গোটা রাজ্যের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার (RBI) চালচিত্রও অনেকটাই বদলে দিয়েছে।

আরও পড়ুন: CP Radhakrishnan: নিরঙ্কুশ ব্যবধানে জয়ী এনডিএ প্রার্থী সি পি রাধাকৃষ্ণণ, দেশের ১৪তম উপরাষ্ট্রপতি পদে আসীন হতে চলেছেন তিনি

এই প্রকল্পের প্রশংসা করলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার (RBI) রিজিওনাল ডিরেক্টর সুধাংশু প্রসাদ। সিউড়িতে এক ব্যাঙ্ক গ্রাহক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি জানান, “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের ব্যাঙ্কিং সেক্টরে (RBI) বিপুল পরিবর্তন এসেছে। আজ বাংলায় প্রায় পাঁচ কোটি নতুন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই মহিলা। প্রতিবছর এই অ্যাকাউন্টে গড়ে ২৫ হাজার কোটি টাকা জমা হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, মহিলারা সাধারণত ঋণখেলাপি হন না, তাই এই নতুন গ্রাহকদের জন্য ব্যাঙ্কগুলি ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিতে প্রস্তুত। এর ফলে একদিকে যেমন আর্থিক অন্তর্ভুক্তির গতি বেড়েছে, তেমনই শক্তিশালী হয়েছে রাজ্যের অর্থনীতি। অনুষ্ঠানে আরও বলা হয়, কম ঝুঁকির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টধারীদের দশ বছর অন্তর রি-কেওয়াইসি বাধ্যতামূলক। রাজ্যে এখনও প্রায় ৮০ হাজার অ্যাকাউন্টে কেওয়াইসি (KYC) বাকি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যাঙ্ক আধিকারিকরা জানান, এখন গ্রাহকরা শূন্য ব্যালেন্সে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ, ২ লক্ষ টাকার জীবনবিমা, অটল পেনশন, সুরক্ষা বিমা এবং জীবনজ্যোতি বিমার সুবিধাও পেতে পারেন।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

সুধাংশু প্রসাদ গ্রাহকদের সতর্ক করে বলেন, “ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত ব্যক্তিগত তথ্য, ওটিপি বা পাসওয়ার্ড কখনও কাউকে দেবেন না। প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত ব্যাঙ্কে জানান।”