Mamata Banerjee : মহালয়া থেকে শুরু উৎসবের আবহ, মমতার লেখা-সুরে আগমনির সঙ্গীত

কলকাতা রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: পিতৃপক্ষ অবসান, শুরু দেবীপক্ষ। মহালয়ার পুণ্য লগ্ন মানেই বাঙালির ঘরে ঘরে দুর্গোৎসবের আবহ (Durga Puja, Mahalaya, Agomoni Song, Mamata Banerjee)। এবারের মহালয়ায় সেই আবহ আরও বিশেষ হয়ে উঠল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন আগমনি গানের প্রকাশে। রবিবার সকালে এক্স (X/Twitter) হ্যান্ডলে নিজস্ব সুরে ও কথায় লেখা গান পোস্ট করলেন তিনি। শস্যশ্যামল বাংলার মাটিকে প্রাধান্য দিয়ে লেখা সেই গান বাঙালির কৃষিপ্রধান সংস্কৃতিকে সামনে আনল। ‘ধনধান্যে ভরে/ মা এসেছেন ঘরে’ – এই পংক্তিগুলিই যেন মায়ের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে বাংলার অন্নদাতা কৃষকদের প্রার্থনা হয়ে উঠল। গানের সুর ও কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, আর কণ্ঠ দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেন।

আরও পড়ুন:Durga Puja 2025: মহালয়ার সকালে গঙ্গার ঘাটে তর্পণের ঢল, ভিড় সামলাচ্ছে পুলিশ-ড্রোন

শনিবারই কলকাতার কয়েকটি নামী পুজোমণ্ডপের উদ্বোধনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী গানটির প্রসঙ্গ তুলেছিলেন। সেদিন তিনি বলেন, শিল্পী নন তিনি। তবে ছোটবেলা থেকেই গান শিখেছেন, বাদ্যযন্ত্রও বাজাতে পারেন। তার কথায়, প্রতি বছর পুজোয় অন্তত একটি গান তিনি লেখেন ও সুর করেন। সেই গান গেয়ে তোলেন ইন্দ্রনীল সেন। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হল না। গানটির মূল ভাবনা বাংলার কৃষিজীবনকে ঘিরে। বাংলার মাটি যেহেতু কৃষিনির্ভর, তাই মা দুর্গার আগমনে কৃষকের ঘর ভরে উঠুক শস্যে, ধানের গোলা পূর্ণ হোক এমনই প্রার্থনা। গানের পরবর্তী স্তবকগুলিতে রয়েছে মাকে সাজিয়ে বরণ করে নেওয়ার কথা। সব মিলিয়ে আড়াই মিনিটের (2.40 min Music Video) এই ভিডিওটি ইতিমধ্যেই নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই গানটির প্রশংসা করেছেন, বিশেষত এর সরলতা ও আবেগঘন বাণী। এক্স হ্যান্ডলে গানটির সঙ্গে শুভেচ্ছা বার্তাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী—“জাগো দুর্গা, জাগো দশপ্রহরণধারিণী।” সেই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেছেন বাংলার কৃষিপ্রধান সংস্কৃতির কথা।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

দুর্গাপুজোয় মুখ্যমন্ত্রীর গান নতুন কিছু নয়। গত কয়েক বছর ধরেই উদ্যোক্তাদের অনুরোধে তিনি আগমনি সঙ্গীত রচনা করে চলেছেন। সরকারি কাজের ব্যস্ততার মাঝেও উৎসবের আবহে তিনি বাঙালির কাছে পৌঁছে দেন গান। এবারের মহালয়া থেকে প্রকাশিত এই আগমনি গানও তাই মানুষের মনে নতুন উৎসাহ জাগিয়েছে। উৎসবের শুরুতেই বাংলার মাটির গন্ধ, কৃষকের ঘাম ও মায়ের আশীর্বাদ মিলেমিশে তৈরি হল এই আগমনি সুর।