মহালয়ার শুভলগ্নে রবিবার নজরুল মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ও সুরে গাঁথা ১৭টি গানের নতুন অ্যালবাম ‘দুর্গা অঙ্গন’-এর (Durga Angan album) উদ্বোধন সম্পন্ন হলো। বছরের এই বিশেষ মুহূর্তে ‘জাগো বাংলা’ অনুষ্ঠানের মঞ্চে নিজ হাতে অ্যালবামের শুভ সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।
আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/09/21/judges-must-prioritize-justice-over-money-cji-gavai/
প্রতি বছরের মতো এ বছরও এই অনুষ্ঠানের প্রতি সমর্থক ও কর্মীদের উত্তেজনা ছিল অতুলনীয়। অ্যালবামের প্রতিটি গান মঞ্চে প্রাণবন্তভাবে পরিবেশন করেন বাংলার খ্যাতনামা শিল্পীরা। রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, গায়িকা শ্রীরাধা বন্দোপাধ্যায়, নচিকেতা, মনোময় ভট্টাচার্য, বাবুল সুপ্রিয়, ইমন চক্রবর্তী, রুপঙ্কর বাগচিসহ একাধিক শিল্পী অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তুলেন। উপস্থিত দর্শকরা মুখ্যমন্ত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কণ্ঠে ও মনের সঙ্গে শিল্পীদের প্রতিটি পারফরম্যান্সকে উদযাপন করেন।
মুখ্যমন্ত্রীর লেখা প্রতিটি গানে বাংলার উন্নয়ন, সংগ্রাম এবং সাধারণ মানুষের জীবনকাহিনি উঠে এসেছে। কৃষকদের মর্যাদা, ভাষা আন্দোলন ও শ্রমিকদের অধিকার—সবই এ গানে স্থান পেয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য একটি গান তিনি দিঘার জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের সময় সমুদ্রের ধারে বসে রচনা করেছিলেন। এভাবে অ্যালবামের প্রতিটি সুর ও কথায় স্থান পেয়েছে বাংলার ইতিহাস, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং মানুষের সংগ্রামের গল্প।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
এদিন অনুষ্ঠানে অংশ নেন রাঘব চট্টোপাধ্যায়ও; যদিও তিনি উপস্থিত ছিলেন, তার রেকর্ডকৃত গানটি চালানো হয়েছিল। এছাড়া, অনুষ্ঠানটির শেষে অকাল প্রয়াত গায়ক জুবিন গর্গকে শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তার গান ও সুর বাংলার সংস্কৃতি ও সংগীতচর্চার অমূল্য অংশ।
‘দুর্গা অঙ্গন’ অ্যালবামটি (Durga Angan album) কেবল গান নয়, এটি বাংলার সংস্কৃতি, সংগ্রাম ও আবেগের এক অনন্য উদযাপন। মহালয়ার এই বিশেষ মুহূর্তে অ্যালবামের উদ্বোধন বাংলার সাধারণ মানুষ, শিল্পী ও দর্শকদের মধ্যে উৎসাহের সঞ্চার করেছে। অনুষ্ঠানটি বাংলার সাংস্কৃতিক ইতিহাসে এক স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হলো, যেখানে সংগীতের মাধ্যমে একত্রিত হলো নানামুখী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বার্তা।
