Kolkata Airport: রাতভর বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতা বিমানবন্দর, সমস্যায় যাত্রীরা

breakingnews কলকাতা শহর

নিউজ পোল ব্যুরো: রাতভর অবিরাম বৃষ্টিতে (Heavy Rainfall) কার্যত জলমগ্ন হয়ে পড়েছে কলকাতা বিমানবন্দর (Kolkata Airport)। টানা বৃষ্টির জেরে বিমানবন্দরের এপ্রোনে (Airport Apron Waterlogging) ব্যাপক জল জমে যাওয়ায় যাত্রীদের চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে। যারা উড়োজাহাজ ধরতে বিমানবন্দরে পৌঁছচ্ছেন, তাদেরকে হাঁটু-সমান জল পেরিয়ে বিমানে উঠতে হচ্ছে। আবার বিদেশ কিংবা দেশীয় উড়ান থেকে যে যাত্রীরা নামছেন, তাদেরও একই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বিমান থেকে নামার পর যাত্রীদেরকে ভিজে যাওয়া এপ্রোন পেরিয়ে বাসে (Shuttle Bus Service) উঠতে হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি ঘনীভূত করেছে যাত্রীদের দুশ্চিন্তা।

আরও পড়ুন: Zubeen Garg: শেষযাত্রা স্থগিত, মৃত্যুর অন্ধকার কাটাতে আবার ময়নাতদন্তে জুবিন

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টানা বৃষ্টির কারণে একাধিক জায়গায় ড্রেনেজ (Drainage System) কার্যত ব্যাহত হয়েছে। যদিও ইতিমধ্যেই পাম্পিং মেশিন (Pumping Machine) বসিয়ে দ্রুতগতিতে জল নামানোর কাজ শুরু হয়েছে। সকাল থেকে কর্মীরা লাগাতার চেষ্টা চালাচ্ছেন যাতে জল দ্রুত নেমে যায় এবং যাত্রীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত না হয়। তবে প্রচণ্ড বর্ষণে (Monsoon Rain) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লাগছে বলেই খবর। যাত্রীদের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর (International Airport) হয়েও এ ধরনের জলজট হওয়া লজ্জাজনক। দীর্ঘদিন ধরেই এখানে পরিকাঠামোগত সমস্যার অভিযোগ রয়েছে। যাত্রীরা বলছেন, ঝড়-বৃষ্টি হলেই বিমান ধরতে এসে এমন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এর ফলে ফ্লাইট ধরার আগে অযথা আতঙ্ক ও দুশ্চিন্তা বাড়ছে। তবে আশার কথা, এখনো পর্যন্ত রানওয়েতে (Runway) কোনো সমস্যা তৈরি হয়নি। বিমান ওঠা-নামা স্বাভাবিক রয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু এপ্রোনেই নয়, বিমানবন্দরের বিভিন্ন অংশে কার্যকর ড্রেনেজ সিস্টেম না থাকায় প্রায়ই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়। যাত্রীদের সুবিধার্থে অবিলম্বে আধুনিক জলনিকাশ ব্যবস্থা (Modern Drainage Facility) গড়ে তোলা জরুরি। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান না হলে, প্রতিবার বর্ষা নামলেই যাত্রীদের এই ভোগান্তি বহাল থাকবে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাম্পিং মেশিন লাগিয়ে দ্রুত জল নামিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। যদিও এর মধ্যে যাত্রীদের অনেককেই বুক করা ফ্লাইট ধরতে গিয়ে জল পেরিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা নিঃসন্দেহে অস্বস্তিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ।