নিউজ পোল ব্যুরো: আজকের যুগে ইঞ্জিনিয়ারিং (Engineering Graduate) হয়ে পাশ করা মানে আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে জীবনে সাফল্যের শিখরে পৌঁছানো নয়। একসময় মনে করা হতো, যিনি বি.টেক বা এম.টেক শেষ করেছেন, তার ক্যারিয়ার নিশ্চিত। কিন্তু আজকাল অনেক তরুণ-তরুণী ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সেই প্রথাগত পথ ছেড়ে নতুন ক্ষেত্র বেছে নিচ্ছেন। কেউ মাইক্রোফোনের পেছনে (Radio Jockey) বা ক্যামেরার লেন্সের সামনে দাঁড়াচ্ছেন (Content Creator), কেউ আবার (Data Analytics) বা (Consulting)-এ ক্যারিয়ার গড়ছেন।
আরও পড়ুন:Mamata Banerjee : বৃষ্টিতে শহরে ঝুঁকি, সিইএসসি দাবি: ‘সব জায়গায় নজর রাখা হচ্ছে, কর্মীরা দিনরাত তৎপর’
কেন এমন হচ্ছে, তা বোঝার জন্য কিছু মূল কারণ রয়েছে। প্রথমত, কলেজের অনেক পাঠ্যক্রম (Curriculum) এখনও বাস্তবের চাহিদার সঙ্গে মিল রাখে না। ছাত্রছাত্রীরা যখন পুরনো ফর্মুলা মুখস্ত করছে, ইন্ডাস্ট্রি (Industry) সফটওয়্যার, অটোমেশন ও প্রযুক্তি চাহিদার দিকে এগোচ্ছে। ফলে নতুন ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।নাদ্বিতীয়ত, চাকরির সুযোগ (Job Opportunities)সীমিত। সব সংস্থা শীর্ষ কলেজে ক্যাম্পাস প্লেসমেন্টের জন্য যায় না। এই কারণে ভালো ছাত্রছাত্রীদেরও যথাযথ সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে হয়।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
তৃতীয়ত, ইঞ্জিনিয়ারদের সংখ্যা প্রতি বছর লাখে লাখে বাড়লেও (Core Engineering Jobs) বেতনের দিক থেকে সীমিত। এই চাহিদা ও যোগানের ফারাকের কারণে অনেকে বিকল্প পথ খুঁজতে বাধ্য হয়। ফলে প্রযুক্তি, মিডিয়া, কনসাল্টিং বা ক্রিয়েটিভ ক্ষেত্রের দিকে ঝুঁকছেন নতুন প্রজন্ম। তবে এর একটি ইতিবাচক দিকও রয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিং (Engineering Skills) শুধুই ফর্মুলা মুখস্ত করার নাম নয়। এটি সমস্যা সমাধানের মানসিকতা, লজিক্যাল চিন্তাভাবনা এবং নতুন সমাধান খোঁজার ক্ষমতা তৈরি করে। এই দক্ষতা তরুণদের নতুন ক্ষেত্রেও সফল হতে সাহায্য করছে। তাই ডিগ্রি হয়তো পথ দেখাচ্ছে, কিন্তু গন্তব্য তারা নিজেরাই বেছে নিচ্ছেন। আজকের তরুণরা প্রমাণ করছেন যে, ইঞ্জিনিয়ারিং (Engineering Degree) কেবল শুরু, কিন্তু সৃজনশীলতা ও প্রচেষ্টা দিয়ে যেকোনো ক্ষেত্রেই নিজের স্বপ্ন পূরণ সম্ভব। জীবন মানে শুধু একটি চাকরি নয়, বরং নিজের পছন্দের পথ বেছে নেওয়া।
