TET Result: রাজ্যে শুরু হচ্ছে ১৩,৪২১ পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া

শিক্ষা

নিউজ পোল ব্যুরো: টেটের (TET Result) ফল প্রকাশের পরই প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের (Primary Teacher Recruitment) প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। রাজ্যজুড়ে প্রাথমিক স্কুলগুলিতে মোট ১৩,৪২১টি শূন্যপদে (Vacancy) শিক্ষক নিয়োগের জন্য বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (WBBPE Notification)। ঠিক তার আগে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এক্স (X Post by Education Minister Bratya Basu) হ্যান্ডেলে বার্তা দেন এই বিষয়ে। মিনিট কুড়ির মধ্যেই পর্ষদ বিজ্ঞপ্তি জারি করে।

আরও পড়ুন:TET Result 2025: ২০২৩ প্রাথমিক টেটের ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ মাত্র ৬৭৫৪ জন

পর্ষদের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে নিয়ম মেনে (Recruitment Rules) সম্পন্ন হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা (Educational Qualification), প্রশিক্ষণ (NCTE Training), টেট পরীক্ষার ফল (Teacher Eligibility Test Score) ছাড়াও নানা বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হবে। পুরো প্রক্রিয়ায় মোট ৫০ নম্বরের ভিত্তিতে (Marks Distribution) মূল্যায়ন করা হবে। এর মধ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৫ নম্বর, উচ্চ মাধ্যমিকে ১০ নম্বর, এনসিটিই অনুমোদিত প্রশিক্ষণে ১৫ নম্বর, টেট-এ ৫ নম্বর, অতিরিক্ত কার্যকলাপে (Extra Curricular Activity) ৫ নম্বর, সাক্ষাৎকারে (Interview) ৫ নম্বর এবং অ্যাপটিটিউড টেস্টে (Aptitude Test) ৫ নম্বর বরাদ্দ রয়েছে। তবে যারা ইতিমধ্যেই কর্মরত শিক্ষক বা প্যারা টিচার (Para Teacher) হিসেবে কাজ করছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে অ্যাপটিটিউড টেস্টের ৫ নম্বর সরাসরি যোগ হবে।

নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য আবেদন কবে থেকে নেওয়া হবে, তা খুব শিগগিরই (Application Date Soon) জানাবে পর্ষদ। তবে বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ১ জানুয়ারি ২০২৫-এর মধ্যে প্রার্থীদের বয়স ৪০ বছরের মধ্যে (Age Limit 40 Years) হতে হবে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বুধবারই প্রকাশিত হয়েছে প্রাথমিকে টেট ২০২৩-এর ফলাফল (TET 2023 Result Published)। এর আগে ২০২২ সালের ফলও প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ প্রক্রিয়া থমকে ছিল। সেই কারণে বুধবার ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীরা (TET Qualified Candidates) চাকরির দাবিতে বিক্ষোভ দেখান এবং সাংসদ সৌগত রায়কে ঘেরাও করে রাখেন।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

তথ্যানুযায়ী, টেট ২০২৩ পরীক্ষায় ৩ লক্ষ ৯ হাজার ৫৪ জন আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে পরীক্ষায় বসেছিলেন ২ লক্ষ ৭৩ হাজার ১৪৭ জন। উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র ৬ হাজার ৭৫৪ জন প্রার্থী। পাশের হার (Pass Percentage) দাঁড়িয়েছে মাত্র ২.৪ শতাংশ। চূড়ান্ত ফলাফলে প্রথম ১০-এর মধ্যে ৬৪ জন পরীক্ষার্থীর নাম রয়েছে। তবে পাশ করেও কবে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে, তা নিয়ে এখনও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।