নিউজ পোল ব্যুরো: পুরুষতান্ত্রিক রাজনৈতিক কাঠামোয় ছেদ টেনে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন সানায়ে তাকাইচি। জাপানের (Japan) ৬৪ বছরের এই কূটনৈতিক নেত্রী দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন আগামী ১৫ অক্টোবর। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার-এর মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সূর্যোদয়ের দেশে রাজনীতির আকাশে উজ্জ্বলভাবে আবির্ভূত হবেন তাকাইচি।
আরও পড়ুন: Kolkata Metro: রেড রোড কার্নিভ্যাল শেষে রাতের শহরে দৌড়বে স্পেশাল মেট্রো
তাকাইচির এই উত্থান নিছকই কোনও প্রতীকী জয় নয়, লিবারাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (LDP) অভ্যন্তরীণ রাজনীতির ঘূর্ণাবর্তে এক চৌকস এবং প্রগতিশীল নেতৃত্বের প্রতিষ্ঠা। কলেজ জীবনে ড্রামার হিসেবে সাংস্কৃতিক মঞ্চে যার যাত্রা শুরু, সেই তাকাইচি আজ এক অভিজ্ঞ রাজনীতিক। মার্গারেট থ্যাচারকে রোল মডেল হিসেবে ধরে এগিয়ে চলেছেন তিনি – দৃঢ়তা, শৃঙ্খলা এবং আর্থিক কঠোরতার প্রতিমূর্তি হয়ে।
দলের অভ্যন্তরীণ ভোটে প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বীদের পরাজিত করে তাকাইচি যে কৌশলী রাজনৈতিক বুদ্ধিমত্তার নজির রেখেছেন, তা জাপানি (Japan) রাজনীতির ভবিষ্যৎ নির্দেশ করছে। একসময় দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও অর্থনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব সামলেছেন অত্যন্ত দক্ষতায়। বিশেষত, চীনের (China) আগ্রাসী নীতির বিরুদ্ধে তার স্পষ্ট অবস্থান তাকাইচিকে জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে এক শক্তিশালী কণ্ঠে পরিণত করেছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
তবে তার সামনে রয়েছে একাধিক চ্যালেঞ্জ। জাপানের (Japan) ক্রমবর্ধমান অভিবাসন সমস্যা, মন্দার আশঙ্কা, এবং দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্গঠন, এই তিনটি বিষয়েই তাকে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে হবে। আয়-ব্যয়ের প্রশ্নে কড়া অবস্থানে থাকা এই নেত্রী অপ্রয়োজনীয় খরচে রাশ টানার পাশাপাশি জনসাধারণের আর্থিক স্বস্তির দিকেও নজর দিতে চান।
