নিউজ পোল ব্যুরো: হুবালিতে সরকারি মঞ্চে কোরান পাঠ! ধর্মনিরপেক্ষতার নামেই ‘নরম হিন্দুত্ব’ রাজনীতির অভিযোগ তুলল বিজেপি (BJP), কংগ্রেসের (Congress) পালটা প্রশ্ন – মন্ত্র পাঠে আপত্তি কেন শুধু কোরান ঘিরে?কর্ণাটকে (Karnataka) ফের ধর্মের রাজনীতিতে তপ্ত রাজ্য রাজনীতি (Karnataka)। হুবালিতে একটি সরকারি প্রকল্প উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে কোরান পাঠের ভিডিও ভাইরাল হতেই উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক মহল। বিজেপি (BJP) কড়া সুরে কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেছে, “সরকারি মঞ্চে কোরান পাঠ? এটা কি ধর্মনিরপেক্ষতা না মুসলিম তোষণের খোলাখুলি প্রদর্শন?” পালটা কংগ্রেসের দাবি, কেবল কোরান নয়, মঞ্চে হিন্দু ধর্মীয় মন্ত্র ও অন্যান্য ধর্মীয় পাঠও করা হয়েছে – উদ্দেশ্য ছিল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দেওয়া।
আরও পড়ুন: TMC: বিমানভাড়ার বাড়বাড়ন্তে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সরব তৃণমূল, বিমানবন্দরে অবস্থান-বিক্ষোভ
ঘটনাটি কর্নাটকের (Karnataka) হুবালির দেবার গুডিহাল রোডে। রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ লাড় ১৪ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের সূচনা করতে গিয়েছিলেন সেখানে। একই অনুষ্ঠানে বিতরণ করা হয় সেলাই মেশিনও। কিন্তু বিতর্ক শুরু হয় অনুষ্ঠান চলাকালীন কোরান পাঠের একটি অংশ ভিডিও আকারে ছড়িয়ে পড়তেই। বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি ও বিধায়ক অরবিন্দ বেল্লাড় প্রশ্ন তুলেছেন, “সরকারি মঞ্চে ইমাম ডেকে এনে কোরান পাঠ করা হচ্ছে কেন? সেখানে কংগ্রেসের পতাকাও দেখা গিয়েছে – এটা কি সরকারি অনুষ্ঠান না দলীয় প্রচার?”
তিনি আরও বলেন, “সরকারি আয়োজনকে কংগ্রেস দলীয় অনুষ্ঠান বানিয়ে ফেলা হয়েছে। উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তারাও দলীয় ক্যাডারের মতো আচরণ করেছেন।” এই ঘটনায় মুখ্যসচিবের কাছে তদন্ত দাবি করেছেন তিনি। পালটা প্রতিক্রিয়ায় সন্তোষ লাড় বলেন, “কেবল কোরান পাঠ নয়, হিন্দু ধর্মের মন্ত্র, গীতা পাঠ এবং অন্য ধর্মের প্রতিনিধি পাঠ করেছেন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা ছিল এটি।” তিনি আরও দাবি করেন, এটি কংগ্রেসপন্থী শিল্পপতিদের উদ্যোগে আয়োজিত একটি সামাজিক অনুষ্ঠান পুরোপুরি সরকারি নয়। তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে একটি প্রকল্প ঘোষণার সরকারি মঞ্চে দলীয় পতাকা কেন? এবং যদি সব ধর্মের পাঠই হয়ে থাকে, তা হলে শুধু কোরান পাঠ নিয়ে বিজেপির এত আপত্তির কারণ কী?
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
