Automatic municipal mutation:স্বয়ংক্রিয় পুর-মিউটেশন ব্যবস্থা চালু করতে চলেছে রাজ্য,আরও সহজ হবে সম্পত্তি কেনাবেচার প্রক্রিয়া!

রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো:রাজ্যের পুরসভা এলাকায় সম্পত্তি কেনাবেচা সংক্রান্ত ঝক্কি আরও কমাতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। এবার থেকে বাড়ি বা জমি কেনার পর আর আলাদা করে পুর-মিউটেশনের (Automatic municipal mutation) জন্য আবেদন করতে হবে না ক্রেতাকে। সম্পত্তি রেজিস্ট্রেশনের সময়েই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট পুরসভার নথিতে নতুন মালিকের নাম নথিভুক্ত হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/11/09/modi-vs-lalu-katta-sarkar-tawa-roti-bihar-election-2025/

রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর জানিয়েছে, এই “স্বয়ংক্রিয় পুর-মিউটেশন ব্যবস্থা” চালু হলে নাগরিক পরিষেবার গতি যেমন বাড়বে, তেমনই প্রশাসনিক কাজও আরও নির্ভুল ও দ্রুত হবে। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরসভা (KMC) ও নিউ টাউন কলকাতা ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (NKDA)-র পোর্টালকে রাজ্যের রেজিস্ট্রেশন দফতরের ডিরেক্টরেট অফ রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড স্ট্যাম্প ডিউটির সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। শীঘ্রই রাজ্যের সব পুরসভায় এই ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি চলছে।

বর্তমানে সম্পত্তি রেজিস্ট্রেশনের পর মালিকানার পরিবর্তন অর্থাৎ মিউটেশন করাতে আলাদা আবেদন করতে হয় সংশ্লিষ্ট পুরসভায়। দলিল, সম্পত্তিকরের রসিদ, পরিচয়পত্র-সহ একাধিক নথি জমা দিতে হয় আবেদনকারীদের। যদিও এখন এই প্রক্রিয়া অনলাইনে করা যায়, তবুও অনেকেই পৃথক আবেদন করতে ভুলে যান বা এড়িয়ে যান। ফলে পুরসভা নথিতে আগের মালিকের নাম থেকেই যায়। এতে রাজস্ব ক্ষতি হয় পুরসভার, আবার নতুন মালিককে পুরনো বকেয়া করের দায় নিতে হয়।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, গত দু’বছরে রাজ্যের পুরসভাগুলিতে অনলাইনে প্রায় ৩ লক্ষ ৫২ হাজার ৬৩৫টি মিউটেশন (Automatic municipal mutation) সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু দফতরের মতে, এই সংখ্যা আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল। তাই নাগরিক সুবিধা এবং রাজস্ব আদায়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে রাজ্য এবার স্বয়ংক্রিয় মিউটেশন প্রক্রিয়া চালুর পথে।

ভূমি দফতরের অধীনে ইতিমধ্যেই জমি রেজিস্ট্রেশনের সঙ্গে স্বয়ংক্রিয় নাম পরিবর্তনের ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এবার সেই সুবিধা মিলবে পুর-মিউটেশনেও। এতে সম্পত্তি ক্রেতাদের হবে না অতিরিক্ত হয়রানি, আর পুরসভার রাজস্ব আদায় হবে আরও কার্যকর।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের এক আধিকারিক বলেন, “জমির মিউটেশন করানোকে অনেকেই ঝামেলার মনে করেন। কিন্তু নতুন এই পদ্ধতি কার্যকর হয়ে গেলে পুরো প্রক্রিয়াই হবে সহজ, দ্রুত এবং স্বচ্ছ। এতে প্রশাসনিক কাজেও সুবিধা হবে।”