Air conditioner: ধূলিকণায় ভরা ঘর? AQI সেন্সরে ধরা পড়বে প্রতিটা নিঃশ্বাসের দূষণ

প্রযুক্তি লাইফস্টাইল

নিউজ পোল ব্যুরো: ঘরের গরম বা দূষিত বাতাসকে ঠান্ডা ও বিশুদ্ধ রাখতে আজকাল ঘরে ঘরে ব্যবহৃত হচ্ছে আধুনিক এসি (Air Conditioner) এবং এয়ার পিউরিফায়ার । কিন্তু এই যন্ত্রগুলির কাজ কেবলমাত্র বাতাস ঠান্ডা করা বা সুগন্ধি করে তোলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ঘরের বাতাসের স্বাস্থ্য বা ঠিক রাখার ক্ষেত্রেও এদের ভূমিকা অপরিসীম।

আরও পড়ুন:BJP MLA on CAA: সিএএ আবেদনকারীদের ভোটাধিকার নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, অন্দরে চাপানউতোর বিজেপিতে

এই আধুনিক যন্ত্রগুলির মধ্যে থাকে AQI মাপার সেন্সর, যা শুধুমাত্র ঘরের বাতাস বিশ্লেষণ করে বাইরের বাতাস নয়। এসি বা এয়ার পিউরিফায়ারের ভেতরে সাধারণত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেন্সর থাকে — PM 2.5 Sensor এবং VOC Sensor। প্রথমটি বাতাসে থাকা ধূলিকণা , ফুলের রেণু , বা অতি সূক্ষ্ম কণাগুলি সনাক্ত করে। অন্যদিকে VOC Sensor গন্ধ পরিমাপ করে — যেমন রান্নার গন্ধ, সিগারেটের ধোঁয়া, পারফিউমের ঘ্রাণ ইত্যাদি। বাতাসকে ঠান্ডা করার প্রক্রিয়ায় এসি ঘরের উষ্ণ বাতাস নিজের মধ্যে টেনে নেয়। সেই বাতাসের উপর ইনফ্রা রশ্মি ফেলা হয়, যা এসির ভিতরে থাকা বিশেষ যন্ত্র থেকে নির্গত হয়। বাতাসে উপস্থিত ধূলিকণার উপর ওই রশ্মি পড়লে তার প্রতিবিম্ব থেকে PM 2.5 Sensor কণাগুলির ঘনত্ব (Air Conditioner) মাপতে পারে। পরে Microprocessor সেই তথ্যকে AQI Scale-এ রূপান্তরিত করে ব্যবহারকারীকে দেখায়।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

এর পরের ধাপে আসে ফিল্টারেশন প্রক্রিয়া। বাতাসের ধূলিকণাগুলি ধরে ফেলে যন্ত্রের ভিতরে থাকা HEPA Filter এই ফিল্টার সূক্ষ্মতম ধূলিকণাও আটকাতে সক্ষম। পাশাপাশি, Activated Carbon Filter বাতাসে থাকা গন্ধ, ধোঁয়া বা বিভিন্ন গ্যাস শোষণ করে নেয়। আবার, Ionizer বাতাসে চার্জ ছড়িয়ে দিয়ে কণাগুলিকে একত্রিত করে ফেলে, ফলে সেগুলি সহজে ফিল্টারে আটকায়। এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে যতক্ষণ না ঘরের একিউআই (AQI) স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। তাই দেখা যায়, ঘরে বাতাসে বেশি ধূলিকণা বা দূষণ থাকলে যন্ত্রের গায়ে লাল আলো জ্বলে ওঠে, যা সতর্কবার্তা। বাতাস মাঝারি অবস্থায় থাকলে দেখা যায় হলুদ আলো , আর একেবারে বিশুদ্ধ হলে জ্বলে ওঠে সবুজ আলো।

সব মিলিয়ে, আধুনিক AC এবং Air Purifier শুধু আরামই দেয় না, ঘরের বাতাসের গুণমান বজায় রেখে পরিবারের শ্বাসযন্ত্রের সুরক্ষাও নিশ্চিত করে।