নিউজ পোল ব্যুরো:আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে দুর্নীতি মামলাকে (RG Kar Medical College corruption case) কেন্দ্র করে ফের নড়েচড়ে বসেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরে এবার প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। তাঁর বয়ান রেকর্ড করতে ইতিমধ্যেই বিশেষ প্রস্তুতি শুরু করেছে ইডি। জানা গেছে, প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে গিয়ে তাঁর বক্তব্য নেওয়ার অনুমতির জন্য ইডি বিচার ভবনের বিশেষ আদালতে আবেদন জানিয়েছে। প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (PMLA) আইন ২০০২-এর ৫০ নম্বর ধারায় বয়ান রেকর্ডের আনুষ্ঠানিক অনুমতি চাওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2025/11/16/bengal-sir-process-transparency-ceo-emergency-meeting/
ইডির দাবি, এই মামলার তদন্তে সন্দীপ ঘোষের বয়ান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সংশোধনাগারেই সরাসরি বক্তব্য রেকর্ডের অনুমতি প্রয়োজন। আদালতের অনুমতির পরই প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়ে ইডি আধিকারিকরা বয়ান রেকর্ডের কাজ শুরু করবেন।
সূত্রের খবর, আগামী ১৪ ডিসেম্বর আদালতে প্রগ্রেস রিপোর্ট জমা দেবে ইডি। সেই রিপোর্টে সন্দীপ ঘোষের বয়ান রেকর্ড সংক্রান্ত তথ্যও যুক্ত করা হবে।
এদিকে একই মামলায় শিয়ালদহ আদালতের বাইরে সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন আরজি কর হাসপাতালে নির্যাতিতার মা। তাঁর অভিযোগ, “ওরা নির্লজ্জ।” ওই মন্তব্য শুনে আদালতকক্ষের বাইরে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিক। তিনি বলেন, “আমিও মা,” এবং চোখের জল সামলাতে পারেননি।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্কhttp://:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
ধর্ষণ ও হত্যার এই চাঞ্চল্যকর মামলায় সেদিন সিবিআই আদালতে সপ্তম ‘স্টেটাস রিপোর্ট’ জমা দেয়। নির্যাতিতার মা আদালতে গোপন জবানবন্দি দেওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারিত হয়েছে ২০২৬ সালের ১৭ জানুয়ারি। সেদিন কেস ডায়েরি জমা দিতে সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের (RG Kar Medical College corruption case) আর্থিক অনিয়মের পাশাপাশি নির্যাতিতা ছাত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে তদন্ত—দুই ক্ষেত্রেই সমান্তরালভাবে এগোচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। মামলার জটিলতা বাড়ায় প্রতিটি বয়ান ও প্রতিটি নথি এখন তদন্তের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
