High Court: SSC-র তালিকায় অযোগ্যদের নাম! কঠোর পর্যবেক্ষণে কড়া নির্দেশ হাই কোর্টের

কলকাতা রাজ্য শহর শিক্ষা

নিউজ পোল ব্যুরো; একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশ ঘিরে নতুন করে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। এসএসসি যে তালিকা এরইমধ্যেই প্রকাশ হয়েছে, তাতে বহু অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে—কারও নাম নেই, আবার কারও মতে “অযোগ্য” বা পূর্বে ‘দাগি’ চিহ্নিত প্রার্থীরাও নাকি তালিকায় জায়গা পেয়েছেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই একাধিক প্রার্থী কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন এবং সোমবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি অমৃতা সিনহা গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেন।

আরও পড়ুন: Orisha: নথি যাচাইয়ের পরও হেনস্থা! ওড়িশায় বাংলার ১০ শ্রমিককে ‘বাংলাদেশি’ বলে আটক

বিচারপতি স্পষ্ট জানান, ‘দাগি’ হিসেবে যাদের নাম পূর্ববর্তী নিয়োগ মামলায় চিহ্নিত, তারা কোনও অবস্থাতেই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন না। সুপ্রিম কোর্টও তার আগের নির্দেশে জানিয়েছিল, ‘দাগি’দের শনাক্তযোগ্য করে তালিকা প্রকাশ করতে হবে। কারণ, একই নামে একাধিক প্রার্থী থাকতে পারে, বিশেষত ২০১৬ ও ২০২৫—দুটি আলাদা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একই ব্যক্তির রোল নম্বর আলাদা হয়ে যায়। ফলে শুধু নাম প্রকাশ করলে প্রকৃত পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন। তাই নামের সঙ্গে অভিভাবকের নাম-সহ আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতেই হবে—এমন নির্দেশই দেন বিচারপতি সিনহা।

কমিশনের আইনজীবীর দাবি, মামলাকারীরা চারজন ‘দাগি’ প্রার্থীর কথা বলেছেন, যাদের মধ্যে দু’জন বিশেষভাবে সক্ষম। সুপ্রিম কোর্ট বিশেষভাবে সক্ষম প্রার্থীদের কিছু ছাড়ের কথা বলেছিল বলেই কমিশন তাদের বাদ দেয়নি। কিন্তু আদালত পালটা প্রশ্ন তোলে—“বিশেষ সুবিধা মানে তো বয়সে ছাড়। কিন্তু এরা তো ‘দাগি’ হিসেবে চিহ্নিত অযোগ্য। সে ক্ষেত্রে কীভাবে তারা ইন্টারভিউয়ের তালিকায় থাকবে?”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole

মামলাকারীদের পক্ষের আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানা হয়নি। কমিশন ‘দাগি’দের তালিকা প্রকাশই করেনি, আর যেটুকু প্রকাশ করেছে, তাতেও নির্দিষ্টভাবে কাউকে শনাক্ত করা যাচ্ছে না। কমিশন অবশ্য দাবি করে, আদালত নির্দেশ দিলে নাম বাদ দেবে, তবে চাপের মুখে তালিকা প্রকাশ করতে কমিশন বাধ্য নয়। সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত জানিয়ে দেয়, আগামী ৩ ডিসেম্বর ফের এই মামলার শুনানি হবে। এই পর্যন্ত এসএসসির ইন্টারভিউ তালিকাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক আরও তীব্রতর হয়েছে।