Travel Tips: কোলাহল থেকে একটু দূরে… শীতের দিনে একদিনেই ঘুরে আসুন কলকাতার লাগোয়া ৫ মনভোলানো জায়গা

ভ্রমণ

নিউজ পোল ব্যুরো: শীতে কলকাতায় যদিও তেমন দাপুটে ঠান্ডা পড়েনি, তবে মিঠে রোদ আর হালকা কুয়াশা মনকে টানে বাইরে বেরোতে। এই সময়টাই চড়ুইভাতি, পিকনিক (Picnic Spots Near Kolkata) কিংবা কাছাকাছি কোথাও একদিনে ঘুরে আসার জন্য সেরা। ব্যস্ততার মাঝেই যদি হঠাৎ পরিকল্পনা করে বেড়িয়ে পড়তে চান, তা হলে শহরতলির কয়েকটি দুরন্ত জায়গা তালিকায় রাখতে পারেন। সঙ্গে চাইলে ঘরোয়া রান্না, নইলে আশপাশের রেস্তরাঁ (Local Restaurants) তো রয়েছেই।

হংসেশ্বরী মন্দির: হুগলির বাঁশবেড়িয়ায় দাঁড়িয়ে থাকা পাঁচতলা হংসেশ্বরী মন্দির তার অনন্য স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত। তেরোটি চূড়া ও পদ্মফুলের কুঁড়ির মতো শীর্ষ এই মন্দিরকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে। দেবী হংসেশ্বরী—মা কালীরই এক রূপ—এখানে অধিষ্ঠিতা। মন্দির ঘিরে পরিচ্ছন্ন বাগান, আর মন চাইলে কাছেই জাফর খাঁ গাজির দরগা (Islamic Architecture) ঘুরে দেখতে পারেন।

আরও পড়ুন:JEE Main 2026: নতুন বছর পড়লেই জয়েন্ট এন্ট্রান্স, কোন কৌশলে পড়লে মিলবে সাফল্য! কী বলছেন শিক্ষাবিদরা?

মাইথন ও কল্যাণেশ্বরী মন্দির: আসানসোল পেরিয়ে ঝাড়খণ্ড সীমান্তে মাইথন জলাধার তার নীল জল আর টিলার সারির জন্য দারুণ জনপ্রিয়। এখানে বোটিং, স্পিডবোট—নানা জলক্রীড়ার (Water Activities) ব্যবস্থাও আছে। কাছেই কল্যাণেশ্বরী মন্দির। ইচ্ছে করলে পাঞ্চেত, ডিয়ার পার্ক-সহ আশপাশের অন্যান্য জায়গাও ঘুরে নেওয়া যায়।

সবুজ দ্বীপ: হুগলি নদীর মাঝে তৈরি সবুজ দ্বীপ যেন প্রকৃতির শান্ত কোলে এক নির্জন আশ্রয়। পানকৌড়ি, নানা পাখি আর নদীর বাতাস মিলিয়ে এখানে একদিন কাটিয়ে দেওয়া যায় সহজেই। ফেরিঘাট থেকে মাত্র ২০ মিনিট নৌযাত্রা। চাইলে পর্যটন দফতরের কটেজেও (Tourist Cottages) থাকতে পারেন।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

বেনাপুরের চর: কলকাতা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টার দূরত্বে রূপনারায়ণের তীরে বিস্তীর্ণ সবুজ প্রান্তর—বেনাপুরের চর। ঘাসে ঢাকা জমি, ছায়া ফেলা ছোট ছোট গাছ আর নদীর শান্ত প্রবাহ মিলিয়ে সৃষ্টি হয়েছে মনোরম পরিবেশ। শীতের দিনে এখানে চাদর পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকা যায়। স্থানীয় মানুষজন পিকনিকে আসেন নিয়মিত। দুপুরে আড্ডা, লুচি-মাংস—সব মিলিয়ে দিন কাটে অনায়াসে। সূর্যাস্ত মিস করা চলবে না। চাইলে কাছেই দেউলটি ঘুরে সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি ও প্রদর্শনশালাও দেখে নিতে পারেন।

ক্ষীরাই: ফুলের উপত্যকা হিসেবে পরিচিত ক্ষীরাই শীতের অন্যতম আকর্ষণ। রেললাইনের ধারে জারবেরা, চন্দ্রমল্লিকা-সহ রঙিন ফুলের চাষ (Flower Farming) দারুণ মনোরম। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারিএই সময়টাই ঘোরার জন্য সেরা।