নিউজ পোল ব্যুরো: ৫ ডিসেম্বর মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই ‘ধুরন্ধর (Dhurandhar)’ ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে। ছবিতে ৪০ বছরের রণবীর সিংহের বিপরীতে দেখা মিলেছে মাত্র ২০ বছর বয়সি অভিনেত্রী সারা অর্জুনের। এই বয়সের ব্যবধানকে কেন্দ্র করে কটাক্ষ কম হয়নি। তবে ছবির সাফল্য ও দুই তারকার পারস্পরিক শ্রদ্ধা সেই সব সমালোচনা ছাপিয়েও আলোচনায় এসেছে।
আরও পড়ুন:Amitabh Bachchan: জন্মদিনে অমিতাভকে শুভেচ্ছা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী! পুরনো দিনের গল্পে ফিরলেন তিনি
সম্প্রতি ‘ধুরন্ধর (Dhurandhar)’–এর সাড়া পেয়ে সামাজিক মাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্ট করেন সারা। সেখানে রণবীরের প্রতি তাঁর কৃতজ্ঞতা, শ্রদ্ধা এবং অনুপ্রেরণার কথা উঠে আসে বারবার। রণবীরকে তিনি আখ্যা দেন ‘সুপারহিউম্যান’ নির্ভীক, সীমাহীন এবং শক্তিশালী একজন শিল্পী হিসেবে। সারার কথায়, মানুষ রণবীরের দক্ষতা দেখেন, কিন্তু তিনি কাছ থেকে দেখেছেন রণবীরের আন্তরিকতা, সহানুভূতি আর মানবিক দিকটি। অভিনয়–জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা হিসেবে ‘ধুরন্ধর (Dhurandhar)’–এ রণবীরের সঙ্গে কাজ করার স্মৃতিচারণা করেন সারা। তিনি জানান, কঠিন দিনগুলিতে রণবীর তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন এক ‘দেবদূত’-এর মতো। শুধু কাজ নয়, ব্যক্তিগত মুহূর্তেও তিনি সারার খেয়াল রেখেছেন। সারার ভাষায়, সাফল্য ও নম্রতা যে একসঙ্গে চলতে পারে, রণবীর তার জীবন্ত প্রমাণ।
এমন উচ্ছ্বসিত পোস্টের উত্তরে রণবীরও জানালেন মজাদার কিন্তু আবেগঘন বার্তা। রসিক ভঙ্গিতে তিনি লেখেন, “আরে পাগলি, আমাকে কাঁদাবি নাকি?” সঙ্গে যোগ করেন, এই মুহূর্ত সারার— তাঁকে আর কেউ থামাতে পারবে না। রণবীরের কথায়, সারার জয় মানেই তাঁর জয়, কারণ ‘ধুরন্ধর (Dhurandhar)’–এর সাফল্য দুই সহ-অভিনেতার মিলিত প্রচেষ্টার ফল। বক্স অফিসে দাপট দেখিয়ে যাচ্ছে ‘ধুরন্ধর (Dhurandhar)’, আর তার সঙ্গে রণবীর–সারার হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্কও দর্শকদের আলোচনার কেন্দ্রে। বয়সের ব্যবধান নিয়ে সমালোচনা থাকলেও দুই তারকার আন্তরিকতা এবং পেশাদারিত্ব প্রমাণ করে দিয়েছে, পর্দার chemistry–র পেছনে mutual respect–ই আসল শক্তি। শেষ পর্যন্ত, ‘ধুরন্ধর (Dhurandhar)’ শুধু একটি সফল ছবি নয়— এটি একটি সুন্দর সহমর্মিতা ও শিল্প–সহযোগিতার দৃষ্টান্ত।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
