IIT Kharagpur News 2025:স্কুল স্তরেই এআই শিক্ষা, বাংলায় ভবিষ্যতের প্রযুক্তির দরজা খুলছে আইআইটি খড়্গপুর

রাজ্য শিক্ষা

নিউজ পোল ব্যুরো: বাংলা ভাষায় কৃত্রিম মেধা ও ডেটা সায়েন্সের মতো আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিষয় শেখার সুযোগ এবার স্কুলপড়ুয়াদের কাছেও পৌঁছে দিতে চলেছে আইআইটি খড়্গপুর। উচ্চশিক্ষার স্তরে এতদিন এই বিষয়গুলি ইংরেজিকেন্দ্রিক পাঠ্যক্রমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ফলে বহু ছাত্রছাত্রী প্রাথমিক স্তরে বিষয়গুলির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পেত না। সেই অভাব দূর করতেই মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষার উপর জোর দিচ্ছে আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা।

আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: মনরেগার নাম বদল ঘিরে বিতর্ক, কর্মশ্রীর নাম ‘মহাত্মা-শ্রী’ করার ঘোষণা মমতার

এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই ২০২৫ সালের শুরুতে আইআইটি খড়্গপুর কৃত্রিম মেধা ও ডেটা সায়েন্স বিষয়ে একটি বিশেষ ক্যাপসুল কোর্স চালুর পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করে। তবে তার আগে পড়ুয়াদের প্রস্তুত করতে একটি আলাদা ব্রিজ কোর্স চালু করার ভাবনাও রয়েছে। এই ব্রিজ কোর্সের মাধ্যমে দ্বাদশ শ্রেণির আগেই ছাত্রছাত্রীরা বিষয়গুলির মৌলিক ধারণা পাবে, যা ভবিষ্যতে বিএস (Bachelor of Science) কোর্সে ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে তাদের যোগ্য করে তুলবে। আইআইটি খড়্গপুরের ডিরেক্টর অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তী জানান, বাংলা ভাষায় কৃত্রিম মেধা ও ডেটা সায়েন্স পড়তে পারলে পড়ুয়ারা সহজে জটিল ধারণাগুলি বুঝতে পারবে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রযুক্তিগত শিক্ষায় এগোতে পারবে। তাঁর কথায়, “আনুষ্ঠানিক ক্যাপসুল কোর্স চালুর আগে ব্রিজ কোর্সের মাধ্যমে ভিত্তি মজবুত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে আইআইটি খড়্গপুর ঘোষণা করেছিল, স্নাতক স্তরে বাংলায় ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি বিষয়ের পড়াশোনার সুযোগ দেওয়া হবে। এর জন্য বিশেষ বিএস ডিগ্রি কোর্স চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা বিটেক বা বিএসসি ডিগ্রির সমমানের। যদিও কিছু নির্দিষ্ট বিষয় ইংরেজিতেই পড়ানো হবে বলে জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি, ‘School Connect Program’-এর মাধ্যমে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পড়ুয়াদেরও মাতৃভাষায় প্রযুক্তিশিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তোলার পরিকল্পনা নেয় আইআইটি খড়্গপুর। নতুন ব্রিজ ও ক্যাপসুল কোর্সের উদ্যোগ সেই পরিকল্পনাকেই আরও বাস্তব রূপ দিতে চলেছে। এর ফলে বাংলাভাষী পড়ুয়ারা স্কুল স্তর থেকেই ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার সুযোগ পাবে।