নিউজ পোল ব্যুরো: বাইশ গজের লড়াই ছাপিয়ে ক্রিকেট বিশ্বে এখন আলোচনার কেন্দ্রে সুনীল গাভাস্কার (Sunil Gavaskar) এবং জেমিমা রদ্রিগেজের (Jemimah Rodriguez) এক অনন্য মুহূর্ত। ভারতীয় কিংবদন্তি ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করে জেমাইমাকে একটি ‘ব্যাট-গিটার’ (Bat-Guiter) উপহার দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:Malaysia Open : মালয়েশিয়া ওপেন সেমিফাইনালে হার পিভি সিন্ধুর
২০২৫ সালের মহিলা ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভারতের ঐতিহাসিক সাফল্যের সময় এই প্রতিশ্রুতির সূত্রপাত। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে জেমাইমার অনবদ্য শতরানের (১২৭) পর গাভাস্কার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, ভারত যদি বিশ্বকাপ জেতে তবে তিনি জেমাইমার সাথে গান গাইবেন। ভারত ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর সেই মাহেন্দ্রক্ষণটি অবশেষে সামনে এল।

উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগ (WPL) ২০২৬ শুরু হওয়ার আগে মুম্বইয়ে এই দুই প্রজন্মের ক্রিকেটারের দেখা হয়। গাভাস্কার একটি কাঠের বাক্সে করে জেমাইমার কাছে পৌঁছে দেন সেই বিশেষ কাস্টমাইজড গিটারটি। উপহারটি হাতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত জেমাইমা মজা করে জিজ্ঞেস করেন, “এটা দিয়ে আমি ব্যাট করব না গান গাইব?” সহাস্যে গাভাস্কার উত্তর দেন, “দুটোই করা যাবে। তোমার ব্যাটিংয়ের মধ্যেও একটা সুরের ছন্দ থাকে।”
উপহার দেওয়ার পর দুজনে মিলে মেতে ওঠেন গানের আড্ডায়। জেমাইমা সেই নতুন গিটার বাজান এবং তাঁরা দুজনে মিলে ‘শোলে’ সিনেমার জনপ্রিয় বন্ধুত্বের গান ‘ইয়ে দোস্তি হাম নেহি তোড়েঙ্গে’ গেয়ে শোনা
জেমাইমা এই মুহূর্তের ভিডিওটি তাঁর ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, “সুনীল স্যার তাঁর কথা রেখেছেন। আমরা সেরা ‘ব্যাট-গিটার’ নিয়ে জ্যামিং সেশন করলাম।” ভিডিওটি ক্রিকেটপ্রেমীদের মন জয় করে নিয়েছে। ভক্তরা সানি গাভাস্কারের এই অমায়িক ব্যবহারের প্রশংসা করছেন।

মাঠের বাইরের এই আনন্দঘন মুহূর্তের পাশাপাশি মাঠের ভেতরেও জেমাইমার সামনে বড় দায়িত্ব। আসন্ন WPL ২০২৬-এ তিনি দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক। কিংবদন্তির আশীর্বাদ ও এই বিশেষ উপহার তাঁর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার অঞ্জুম চোপড়ার মতে, এই দায়িত্ব জেমিমাকে নতুন ভাবে আবিষ্কার করার সুযোগ দেবে। এক সাক্ষাৎকারে অঞ্জুম বলেন, অধিনায়কত্ব শুধু মাঠে নয়, মাঠের বাইরেও একজন ক্রিকেটারের মানসিকতা বদলে দেয়। তাঁর কথায়, “ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের নেতৃত্ব দেওয়া একেবারেই আলাদা চ্যালেঞ্জ। এতে জেমিমাহ নিজেকে শুধু ব্যাটার বা ফিল্ডার হিসেবে নয়, একজন নেতা হিসেবেও নতুন ভাবে চিনবে।”
