নিউজ পোল ব্যুরো: আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে আইসিসি (ICC) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T-20 World Cup)। এবার ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথ আয়োজন করবে এই টুর্নামেন্ট। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক কারণে আলোচনায় উঠে এসেছে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের ভিসা জটিলতা। বিশেষ করে আমেরিকা (USA), ইংল্যান্ড এবং আরও কয়েকটি দেশের দলে থাকা পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের ভারতের ভিসা পেতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছিল। কিন্তু হয়ত এবার সেই সমস্যা কাটতে চলেছে। কারণ আইসিসি এবার এই বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করতে চলেছে৷
আরও পড়ুন:India vs Australia : অস্ট্রেলিয়া সফরে সুযোগ পেলেন না রাধা যাদব এবং উমা ছেত্রী
সূত্রের খবর, মোট ৪২ জন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার (Pakistani Origin Cricketers) ও আধিকারিকের ভিসা সংক্রান্ত বিষয়টি তদারকি করছে আইসিসি। ইংল্যান্ড দলের হয়ে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের মধ্যে রয়েছেন স্পিনার আদিল রশিদ, রেহান আহমেদ এবং পেসার সাকিব মাহমুদ। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার ও আধিকারিকদের প্রক্রিয়া সহজ করতে এবার সরাসরি উদ্যোগী হয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা আইসিসি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দলে রয়েছেন আলি খান ও শায়ান জাহাঙ্গির। নেদারল্যান্ডসের হয়ে খেলছেন জুলফিকার শাকিব, সহ আরও কয়েকজন ক্রিকেটার। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গেছে, ইংল্যান্ড দলের আদিল রশিদ, রেহান আহমেদ ও সাকিব মাহমুদের ভিসা ইতিমধ্যেই ছাড়পত্র পেয়েছে। নেদারল্যান্ডস দলের সদস্যদের ভিসাও মঞ্জুর হয়েছে। এছাড়া কানাডা দলের স্টাফ মেম্বাররা শাহ সালিম জাফরের ভিসা অনুমোদন পেয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, বাংলাদেশ এবং কানাডার দলে থাকা পাকিস্তানি নাগরিক বা পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড় ও আধিকারিকদের ভিসা জট এখনও না কাটলে সেগুলির তদারকি করছে আইসিসি।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
ইতিমধ্যেই, ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই দলের ক্রিকেটার এবং কোচিং স্টাফদের আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারিত হয়েছে। যা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে প্রক্রিয়া এখন শেষ পর্যায়ে। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী সকল খেলোয়াড় ও আধিকারিকদের ভিসা প্রদানের শেষ সময়সীমা ৩১ জানুয়ারি। বিভিন্ন পূর্ণ সদস্য ও সহযোগী দেশের দলে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের উপস্থিতির কথা মাথায় রেখে এই আগাম ছাড়পত্রকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
