WB Teachers: মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকের পর গ্রুপ-সি ও ডি লিখিত পরীক্ষা, সম্মতির অপেক্ষায় স্কুল সার্ভিস কমিশন

শিক্ষা

নিউজ পোল ব্যুরো: মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরই স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC) গ্রুপ-সি এবং গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষা আয়োজন করতে প্রস্তুতি শুরু করেছে। শিক্ষাকর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়াকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং বিধানসভা নির্বাচনের আগেই লিখিত পরীক্ষা সম্পন্ন করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:Bhangar: ভোটের আগে রণক্ষেত্র ভাঙড়! বোমা ছুড়ে তৃণমূল কর্মীকে খুনের চেষ্টা, জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

এই বিষয়ে সম্প্রতি নবান্নে একটি বিস্তারিত প্রস্তাব পাঠিয়েছে রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতর। প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে গ্রুপ-সি পদে মোট শূন্যপদের সংখ্যা ২৯৮৯টি এবং গ্রুপ-ডি পদে শূন্যপদ রয়েছে ৫৪৮৮টি। দীর্ঘদিন ধরে এই পদগুলিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত থাকায় বিপুল সংখ্যক চাকরিপ্রার্থী অপেক্ষায় রয়েছেন। স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার জন্য দুটি সম্ভাব্য তারিখ প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ১ মার্চ এবং ১৫ মার্চ—এই দুই দিনে আলাদা আলাদা পরীক্ষার আয়োজন করা হতে পারে। কোন দিনে কোন পদের পরীক্ষা হবে, তা নবান্নের চূড়ান্ত অনুমোদনের পরই নির্ধারিত হবে।

 

ইতিমধ্যেই গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি—এই দুই পদের জন্য মিলিয়ে প্রায় ১৬ লক্ষ পরীক্ষার্থী আবেদন করেছেন। এর মধ্যে গ্রুপ-সি পদের জন্য আবেদন করেছেন প্রায় ৮ লক্ষ চাকরিপ্রার্থী এবং গ্রুপ-ডি পদের জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা সাড়ে ৮ লক্ষেরও বেশি। এত বিপুল সংখ্যক পরীক্ষার্থী থাকায় পরীক্ষার আয়োজন নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, নবান্ন থেকে অনুমোদন মিললেই স্কুল সার্ভিস কমিশন দ্রুত লিখিত পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার তারিখ, কেন্দ্র, সিলেবাস এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা বিস্তারিতভাবে জানানো হবে। এদিকে স্কুল সার্ভিস কমিশন সূত্রে খবর, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত চূড়ান্ত মেধা তালিকা আগামী ২১ জানুয়ারি প্রকাশিত হতে পারে। ফলে একই সঙ্গে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ—দু’টি ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে শিক্ষা দফতর। চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে তাই নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।