নিউজ পোল ব্যুরো: এসআইআর (SIR) সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূল সাংসদ ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই দাবি করেছিলেন, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগেই বাংলার মুখ্যসচিবের (Chief Secretary) নাম ‘অমীমাংসিত’ তালিকায় রয়েছে। সেই সময় তিনি সংবাদমাধ্যমে একটি নথির ছবিও তুলে ধরেন। পরে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পর দেখা যায়, তাঁর সেই দাবি সত্যিই মিলেছে রাজ্যের মুখ্যসচিব (Chief Secretary) নন্দিনী চক্রবর্তীর নাম রয়েছে যাচাইাধীন বা অমীমাংসিত তালিকায়।
কলকাতার রাসবিহারী এলাকার ভোটার নন্দিনী চক্রবর্তীর এনুমারেশন ফর্মে কিছু ত্রুটি ধরা পড়েছিল বলে নির্বাচন দফতরের তরফে তাঁকে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়। সেই ত্রুটি সংশোধনের জন্য গত ডিসেম্বরেই তাঁর বাড়িতে যান বিএলও, ইআরও ও এআরও-রা। বিষয়টি তালিকা প্রকাশের আগেই আদালতকে জানানো হলেও, শেষ পর্যন্ত কেন তাঁর নাম সংশোধন করা হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ব্যাখ্যা, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের হাতে দায়িত্ব যাওয়ায় ইআরও-দের আর কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ছিল না।
এখানেই বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Chief Secretary) ছেলে শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ‘বিচারাধীন’ তালিকায় রাখা হয়েছে। শীর্ষণ্য নিজেও একজন আইনজীবী এবং বর্তমানে রাজ্য সরকারের তরফে কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) সিনিয়র স্ট্যান্ডিং কাউন্সিলের দায়িত্বে রয়েছেন। শুধু তাই নয়, কল্যাণের মেয়ে প্রমিতি বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও একই তালিকায় রয়েছে।
সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, দুই ভাইবোনের কেউই শুনানির জন্য কোনও নোটিস পাননি। তা সত্ত্বেও তাঁদের নাম অমীমাংসিত তালিকায় থেকে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিয়মনীতি নিয়ে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
