Assembly Election 2026:আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ থেকে রাজনীতির ময়দান? বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হতে পারেন অভয়ার মা

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে পানিহাটি কেন্দ্রকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, আর জি কর হাসপাতালে নিহত তরুণী চিকিৎসক অভয়ার মা এই কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিতে পারেন। নিহত চিকিৎসকের পরিবারের পক্ষ থেকেই এমন সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই এই খবর নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: WB Election 2026: দুর্গম সান্দাকফুতে ভোটের চ্যালেঞ্জ! হাজার ফুট উচ্চতায় পৌঁছতে দু’দিন আগেই রওনা ভোটকর্মীদের

সূত্রের খবর, আজ বিকেলের মধ্যেই বিজেপি তাদের দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে পারে। সেই তালিকাতেই পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে অভয়ার মায়ের নাম থাকতে পারে বলে পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে। উল্লেখ্য, আর জি কর হাসপাতালে ঘটে যাওয়া সেই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই অভয়ার মা ও বাবা মেয়ের ন্যায়বিচারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন ও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু এখনও পর্য সেই ঘটনার পূর্ণ বিচার মেলেনি বলেই পরিবারের।কিছুদিন আগে ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ ও বিজেপি নেতা অর্জুন সিংহ অভয়ার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তাঁদের বাড়িতে যান। তিনি পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। যদিও সেই বৈঠকে ঠিক কী আলোচনা হয়েছে, তা নিয়ে দুই পক্ষের কেউই স্পষ্টভাবে কিছু জানায়নি। অর্জুন সিংহ পরে জানান, শুধুমাত্র পরিবারের খোঁজখবর নেওয়ার উদ্দেশ্যেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন।

অন্যদিকে, ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস তাদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। সেখানে পানিহাটি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে প্রবীণ নেতা নির্মল ঘোষের ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকে। উল্লেখ্য, নির্মল ঘোষ এই কেন্দ্র থেকে পাঁচবার নির্বাচিত হয়েছেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও তিনি প্রায় ২৫ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন।এবার সেই আসনে তৃণমূলের ভরসা তীর্থঙ্কর ঘোষ। তিনি ইতিমধ্যেই নিজের নির্বাচনী প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। গঙ্গার ধারে চৈতন্যদেবের মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেন তিনি। প্রচারে নেমে তীর্থঙ্কর বলেন, “প্রথমেই আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানাই। পানিহাটি তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। এলাকার প্রায় সব মানুষই আমার পরিচিত। আমি বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের সঙ্গে কথা বলছি।”