Durgapur political violence:দুর্গাপুরে নির্বাচনী দেওয়াল লিখন মুছতে গিয়ে আক্রান্ত কমিশনের কর্মী, গ্রেপ্তার ৩!

রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো:নির্বাচনী আবহে উত্তপ্ত শিল্পাঞ্চল। সরকারি দেওয়াল থেকে রাজনৈতিক প্রচারের লিখন মুছতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মী। রবিবার সকালে দুর্গাপুর (Durgapur political violence) পশ্চিম বিধানসভার করঙ্গপাড়া এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনায় ইতিম্যধেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে কোকওভেন থানার পুলিশ।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2026/03/22/shatrughan-sinha-asansol-mcc-violation-blue-beacon-controversy/

ঘটনার সূত্রপাত রবিবার সকালে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা মেনে দুর্গাপুর মহকুমা শাসক দপ্তরের দুই কর্মী, সূর্যকান্ত পাল ও বিট্টু গুপ্তা, করঙ্গপাড়ার পোস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় দেওয়াল মোছার কাজ করছিলেন। অভিযোগ, ওই এলাকায় সরকারি দেওয়ালে থাকা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচারমূলক লিখন মুছে ফেলার পর তাঁরা যখন গাড়িতে করে ফিরছিলেন, ঠিক সেই সময় একদল যুবক তাঁদের পথ আটকায়। আক্রান্ত কর্মীদের দাবি, তাঁদের গাড়ি থেকে জোর করে নামিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। বিট্টু গুপ্তার বয়ান অনুযায়ী, হামলাকারীরা নিজেদের শাসকদলের কর্মী বলে পরিচয় দেয় এবং কেন দেওয়াল মোছা হয়েছে তা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে চড়াও হয়।

ঘটনার খবর পাওয়ামাত্রই পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কোকওভেন থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। জখম কর্মীদের উদ্ধার করার পাশাপাশি দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিম্যধেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং চতুর্থ অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুর্গাপুরে (Durgapur political violence) ⁶তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে বিকেলে বিজেপি জেলা সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ দত্তের নেতৃত্বে কোকওভেন থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই পরিকল্পনা করে এই হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে ঘাসফুল শিবির। তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সিপুল সাহার দাবি, বিজেপি রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে পরিকল্পিতভাবে নাটক সাজাচ্ছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, সামান্য তর্কবিতর্ক হয়েছিল মাত্র, মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। বর্তমানে এলাকায় পুলিশি টহলদারি বাড়ানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন।