নিউজ পোল ব্যুরো: রাজ্য রাজনীতিতে নির্বাচনের উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে (West Bengal Assembly Election 2026)। রাজ্য বিধানসভা ভোটের আগে খড়্গপুর সদরে প্রচারে নেমে আবারও আগের চেনা আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে দেখা গেল বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষকে (Dilip Ghosh)। নিজের পুরনো কেন্দ্র থেকেই লড়াই করছেন তিনি, আর সেই মাটিতেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এলেন এই বর্ষীয়ান নেতা। প্রচারে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, রাজ্য পুলিশ নাকি শাসক দলের হয়ে কাজ করছে এবং বিরোধীদের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। তার অভিযোগ (Dilip Ghosh), বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে, এমনকি গুলি চালানোর হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় পাল্টা হুঁশিয়ারি দেন, যা ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন ফেলেছে।
খড়্গপুরের সভা থেকে তিনি বলেন (Dilip Ghosh), পুলিশ প্রশাসনের একাংশ তৃণমূলের সঙ্গে মিলিতভাবে কাজ করছে এবং বিজেপি সমর্থকদের দমিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। অত্যন্ত কড়া ভাষায় তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, ভয় দেখিয়ে কোনও লাভ হবে না, বরং এর জবাব আরও শক্তভাবে দেওয়া হবে। তার এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই শাসক-বিরোধী তরজায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। শাসক দলকেও একযোগে আক্রমণ করে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) দাবি করেন, তৃণমূল নেতারা দুষ্কৃতীদের মদতেই ভোটে জেতে। তাঁর কথায়, অতীতেও এই ধরনের কৌশল নেওয়া হয়েছে এবং এখনও সেই একই পথ অনুসরণ করা হচ্ছে। তবে এবার বিজেপি কোনওভাবেই এই ধরনের প্রভাব খাটানোর রাজনীতি মেনে নেবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন তিনি (Dilip Ghosh)।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
খড়্গপুর সদর কেন্দ্রের সঙ্গে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। ২০১৬ সালে এই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন তিনি। যদিও ২০২১ সালে তাকে প্রার্থী করা হয়নি, পরিবর্তে প্রার্থী হন হিরন চ্যাটার্জী এবং জয়লাভও করেন। তবে পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতির জেরে আবারও পুরনো মুখকেই ভরসা করেছে দল। প্রচারের মঞ্চ থেকে অতীতের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার দাবি, আগেরবার মানুষের সমর্থনেই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছিল। এবারও সেই একই প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি ভোটারদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।তবে নির্বাচনের আগে এই ধরনের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, ভোটের আবহে রাজনৈতিক ভাষার সীমারেখা ঠিক কোথায় টানা উচিত।
