নিউজ পোল ব্যুরো: ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষ শেষ হতে আর হাতে গোনা কয়েক দিন বাকি (Income Tax)। অথচ এখনও অনেক করদাতা কর সাশ্রয়ের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলি সম্পূর্ণ করতে পারেননি। আপনি যদি তাদের মধ্যে একজন হন, তাহলে দেরি না করে দ্রুত কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ সেরে ফেলাই বুদ্ধিমানের। তা না হলে অযথা করের বোঝা বাড়তে পারে এবং আপনার আর্থিক পরিকল্পনাতেও প্রভাব পড়তে পারে। প্রথমেই আসে বকেয়া অগ্রিম কর মেটানোর বিষয়টি। চলতি অর্থবছরের অ্যাডভান্স ট্যাক্স জমা দেওয়ার শেষ নির্ধারিত সময় ছিল ১৫ মার্চ (Income Tax)। তবে যদি এখনও তা না মিটিয়ে থাকেন, তাহলে ৩১ মার্চের আগেই তা পরিশোধ করা উচিত। কারণ নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে আয়কর আইনের নিয়ম অনুযায়ী সুদ গুনতে হয়, যা প্রতি মাসে ১ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে যাদের বেতনের বাইরে অতিরিক্ত আয় রয়েছে যেমন ফ্রিল্যান্সিং, ভাড়া, সুদ বা ক্যাপিটাল গেনস তাদের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়া, যারা চাকরিজীবী, তাদের অবশ্যই সময়মতো বিনিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত নথি নিয়োগকর্তার কাছে জমা দেওয়া উচিত। এই নথিগুলির ভিত্তিতেই ফর্ম-১৬ তৈরি হয়। যদি নথি জমা না দেওয়া হয়, তাহলে মার্চ মাসের বেতন থেকে অতিরিক্ত TDS কেটে নেওয়া হতে পারে।কর সাশ্রয়ের জন্য বিনিয়োগও একটি বড় সুযোগ। পুরনো কর ব্যবস্থায় (Old Tax Regime) Section 80C-এর অধীনে পিপিএফ, ইএলএসএস, সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা বা এনএসসি-তে বিনিয়োগ করে ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যায়। পাশাপাশি, NPS-এ অতিরিক্ত ৫০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে আরও কর ছাড় নেওয়া সম্ভব Section 80CCD(1B)-এর আওতায়। তবে নতুন কর ব্যবস্থায় (New Tax Regime) এই সুবিধাগুলি প্রযোজ্য নয়।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:-https://youtube.com/@thenewspole
ক্যাপিটাল গেনস হিসাব করাও অত্যন্ত জরুরি। শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড বা সম্পত্তি বিক্রি করে কত লাভ হয়েছে এবং তা স্বল্পমেয়াদি না দীর্ঘমেয়াদি এই হিসাব আগে থেকেই পরিষ্কার রাখা দরকার। যদি আপনার হোম লোন থাকে, তাহলে ঋণদাতার কাছ থেকে বার্ষিক লোন স্টেটমেন্ট সংগ্রহ করুন। এতে সুদের উপর ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়া যেতে পারে এবং আসল টাকার উপরেও অতিরিক্ত সুবিধা মিলতে পারে। সময়ের মধ্যে এই পদক্ষেপগুলি নিলে করের চাপ অনেকটাই কমানো সম্ভব।
